জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির

Any Akter
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:০৮ পূর্বাহ্ন, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১:০৫ পূর্বাহ্ন, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

ইরানের বিভিন্ন বার্তা সংস্থায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, আগ্রাসনের জবাব এবং আগ্রাসনকারীদের শাস্তি দিতে জর্ডানের কিং হুসেইন ও আল আজরাক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: সুদানে ড্রোন হামলায় নিহত ১৬০, প্রাণ গেছে বহু শিশুর

আইআরজিসির দাবি, হামলায় ঘাঁটি দুটির প্রযুক্তিগত ও পুনর্গঠনমূলক সক্ষমতা ধ্বংস হয়েছে। পাশাপাশি শত্রুপক্ষের বিমান উড্ডয়ন-সংশ্লিষ্ট স্থাপনাও ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের এই বাহিনী।

বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও বলেছে, এত আগ্রাসন ও অপরাধের পরও তাদের দমিয়ে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার শত্রুর চেষ্টা বন্ধ হবে না। ভবিষ্যতে প্রতিটি হামলার আরও ভয়ংকর জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: জেন-জি বিক্ষোভ ঘিরে ইন্দোনেশিয়ায় সাড়ে ৯ হাজার পুলিশ মোতায়েন

এর আগে রোববার (৩০ আগস্ট) ইরানের লারাক দ্বীপে আইআরজিসির দুটি রকেট লঞ্চারে বোমা হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। হামলায় ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করে এর প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় আইআরজিসি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ওই দুটি রকেট লঞ্চার মাইনবাহী দুটি মার্কিন জাহাজে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় মার্কিন বাহিনী লঞ্চার দুটির ওপর বোমাবর্ষণ করে। খবর আল জাজিরার।

ওই মার্কিন কর্মকর্তা আরও জানান, মার্কিন বাহিনী এলাকাটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রস্তুত রয়েছে।

লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে আইআরজিসি জানিয়েছে, রোববারের ওই হামলায় তাদের বেশ কয়েকজন যোদ্ধা ও বেসামরিক বাসিন্দা নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ হামলার জন্য দায়ীদের শাস্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আইআরজিসি।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হওয়ায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনায় অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।