ইনসানিয়াত বিপ্লবের ইশতেহার: মানবতার রাষ্ট্র
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ-এর নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলা প্রেস ক্লাবে ফেনী-৩ (দাগনভূঞা–সোনাগাজী) আসনের প্রার্থী জনাব হাসান আহমেদের সভাপতিত্বে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইশতেহার পাঠ করে ফেনী-৩ আসনের প্রার্থী হাসান আহমেদ বলেন, একক গোষ্ঠীবাদী স্বৈরাজনীতির খুন, জুলুম, সন্ত্রাস ও দমন-পীড়ন থেকে মুক্ত হয়ে সব মানুষের জীবন, ধর্ম ও রাষ্ট্র রক্ষায় মানবতার রাজনীতির ভিত্তিতে ‘মানবতার রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠাই ইনসানিয়াত বিপ্লবের মূল লক্ষ্য।
আরও পড়ুন: দুমকির ভোটকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের চেষ্টা, দুই কিশোরের তৎপরতায় বড় ক্ষতি রক্ষা
তিনি বলেন, ইনসানিয়াত বিপ্লব এমন একটি রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরছে, যেখানে সব ধর্মের, সব মত-পথের ও সব শ্রেণির মানুষের জন্য সমান নিরাপত্তা, অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। খুন, সন্ত্রাস, অন্যায়-অবিচার, দুর্নীতি ও দারিদ্র্যমুক্ত একটি অসাম্প্রদায়িক, আধুনিক ও শান্তিময় রাষ্ট্র গড়াই বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব (World Humanity Revolution)-এর নির্বাচনী ইশতেহারের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, জীবন, ধর্ম, রাষ্ট্র, গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও মানবাধিকারের বর্তমান সংকট মূলত রাজনৈতিক সংকটের ফল। একদিকে ধর্মের নামে উগ্রবাদী ও জঙ্গিবাদী রাজনীতি, অন্যদিকে বস্তুবাদী জাতীয়তাবাদের নামে একক গোষ্ঠীর স্বৈরতান্ত্রিক রাজনীতি—এই দুই ধারাই মানবতা, ধর্ম ও রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও পড়ুন: বরিশালে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে দুই প্রার্থীর লিখিত অভিযোগ
হাসান আহমেদ বলেন, একক গোষ্ঠীবাদী স্বৈরাষ্ট্রব্যবস্থার অর্থ হলো ক্ষমতাসীনদের বাইরে সব মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা ও জীবিকা রুদ্ধ করে দেওয়া। এর পরিণতিতে সমাজে হত্যা, ধর্ষণ, সহিংসতা, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, দুর্নীতি, দখলবাজি ও মিথ্যা মামলার বিস্তার ঘটেছে।
তিনি বলেন, এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো সব মানুষের প্রতিনিধিত্বশীল মানবতার রাজনীতি এবং সর্বজনীন মানবতার রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। ইতিহাসের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে, মানবতার রাষ্ট্র না থাকায় যুগে যুগে মানুষ জীবন, ধর্ম ও রাষ্ট্রের অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইনসানিয়াত বিপ্লব ফেনী জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





