আশুলিয়ায় নিখোঁজের তিন ঘণ্টা পর বস্তাবন্দি শিশুর মরদেহ উদ্ধার

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:৩৫ অপরাহ্ন, ২০ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৫:১৮ অপরাহ্ন, ২০ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় নিখোঁজের প্রায় তিন ঘণ্টা পর আব্দুর রহমান (৫) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশুটির গলায় লাল স্কচটেপ প্যাঁচানো এবং মুখের ভেতর চাল ও পলিথিন ঢোকানো ছিল। বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় আশুলিয়ার ভাদাইল পশ্চিমপাড়া এলাকার হারুনুর রশিদের চারতলা বাড়ির ছাদ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আব্দুর রহমান জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার বাগবাড়ি এলাকার মো. শহিদ মিয়ার ছেলে। শিশুটির পরিবার ওই বাড়ির নিচতলার একটি বাসায় ভাড়া থাকে।

আরও পড়ুন: নরসিংদীতে স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ মাটিচাপা, স্বামী আটক

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলের পর থেকে শিশু আব্দুর রহমানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পর স্বজনেরা বাড়ির ছাদে তার হাত-পা ও মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো এবং বস্তাবন্দি মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক আলামত দেখে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হয় আব্দুর রহমান। প্রায় ১০ মিনিট পর পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’-এর প্রস্তুতি সভা

পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাড়িওয়ালার স্ত্রী রিনা বেগম ছাদে হাঁসকে খাবার দিতে যান। সেখানে একটি হাঁস ধরতে গিয়ে নেটের নিচে সাদা রঙের একটি প্লাস্টিকের বস্তা দেখতে পান। কাছে গিয়ে বস্তার ভেতর শিশুটির মরদেহ দেখতে পান তিনি। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা ছাদে জড়ো হন।

রিনা বেগম বলেন, তিনি বাসার ছাদে হাঁস পালন করেন। সন্ধ্যায় হাঁসকে খাবার দিতে ছাদে ওঠেন। এ সময় একটি হাঁস খাঁচা থেকে বের হয়ে গেলে সেটিকে ধরতে যান। হাঁসটি উড়ে পাশে থাকা নেটের ওপর পড়লে নেটের নিচ থেকে একটি সাদা বস্তা বেরিয়ে আসে। কাছে গিয়ে বস্তাটি দেখে তিনি ডাকাডাকি শুরু করেন। পরে বস্তার ভেতর শিশুটির মরদেহ দেখে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান।

আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কে বা কারা এবং কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান ওসি।