১২০০ মিসাইল নিয়ে মার্কিন সেনাদের অবস্থান

যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:২৭ পূর্বাহ্ন, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ৮:২৭ পূর্বাহ্ন, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে আটটি যুদ্ধজাহাজ ও এক হাজার ২০০ মিসাইল মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন দাবি করেছেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে।

মাদুরো বলেন, সামরিক হুমকির মাধ্যমে তারা সরকার পরিবর্তন চাইছে। আমাদের মহাদেশে গত ১০০ বছরের মধ্যে ভেনেজুয়েলা সবচেয়ে বড় হুমকির মুখোমুখি। আট যুদ্ধজাহাজ, ১২০০ মিসাইল ও সাবমেরিন দিয়ে তারা ভেনেজুয়েলাকে লক্ষ্য করছে।

আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু, নিহত ১৩৩

তবে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, মাদক চোরাচালান ঠেকাতেই ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি এজিস গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার—ইউএসএস গ্র্যাভলি ও ইউএসএস জেসন ডানহাম—এলাকায় অবস্থান করছে। এছাড়া ইউএসএস স্যাম্পসন ডেস্ট্রয়ার এবং ইউএসএস লেক এরি ক্রুজারও ল্যাটিন আমেরিকার উপকূলে অবস্থান নিয়েছে।

বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, শিগগিরই এ অঞ্চলে জাহাজ ও সৈন্য সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সম্ভাব্যত চার হাজার নাবিক ও ইউএস মেরিন নিয়েও নতুন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার মাটিতে সেনা পাঠানোর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।

আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট মাদুরো ভেনেজুয়েলায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং বিভিন্ন অপরাধী চক্রকে সহযোগিতা করছেন। এমনকি মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত আগস্টে মাদুরোর মাথার দাম ৫০ মিলিয়ন ডলার ঘোষণা করেছে ওয়াশিংটন।

অভিযোগের জবাবে মাদুরো জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হুমকি প্রতিহত করতে উপকূল ও সীমান্তে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও আধাসামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।