ভারতে শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে আছেন, জানে না বাংলাদেশ: চিফ প্রসিকিউটর

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৩৮ অপরাহ্ন, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১২:৫৪ অপরাহ্ন, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ভারতে অবস্থানরত দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠিক কোন স্ট্যাটাসে বা কী প্রক্রিয়ায় দেশটিতে আছেন, সে বিষয়ে বাংলাদেশের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। সোমবার (১৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘শেখ হাসিনা বিচার প্রক্রিয়ায় দণ্ডপ্রাপ্ত। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে ইতোমধ্যে প্রত্যর্পণের আবেদন করেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন: বাচ্চু রাজাকারের মৃত্যুদণ্ডের আপিল শুনানি চলছে

ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হতে পারে—এমন প্রতিবেদন প্রকাশের বিষয়ে জানতে চাইলে আমিনুল ইসলাম বলেন, ওই প্রতিবেদনে শেখ হাসিনা ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন কি না বা ঠিক কী স্ট্যাটাসে অবস্থান করছেন, তা বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি। তাই শুধু ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মন্তব্য করা ঠিক হবে না বলেও জানান তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত স্পষ্টভাবে জানে না শেখ হাসিনা ভারতে কোন স্ট্যাটাসে আছেন। ফলে ভারতীয় আদালতের অনুমতি সংক্রান্ত বিষয়টি কী অর্থে বলা হয়েছে, সেটিও পরিষ্কার নয়।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিট

সাংবাদিকরা ভারতে সালাহউদ্দিন আহমেদের অবস্থান এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বিষয়টির কোনো সম্পর্ক আছে কি না জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।’

তিনি জানান, ২০১৫ সালে সালাহউদ্দিন আহমেদকে বাংলাদেশ থেকে অপহরণ করে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে ভারতের শিলংয়ে তাকে পাওয়া যায়। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় তিনি খালাস পান এবং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

এদিকে জুলাই আন্দোলনে ভূমিকার অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ও (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান আমিনুল ইসলাম।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই আন্দোলনে তাঁদের ভূমিকার কারণে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অপরাধের দায় আসামিদের নিতে হবে এবং ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন বলে তারা প্রত্যাশা করছেন।