চোরাইপথের পশু নয়, বৈধ উৎসের পশু কোরবানি দেওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

Any Akter
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৩:৪৪ অপরাহ্ন, ২৩ মে ২০২৬ | আপডেট: ৩:৪৪ অপরাহ্ন, ২৩ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত


সাবহেডলাইন

আরও পড়ুন: নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি, গভীর শোক প্রধানমন্ত্রীর তারিক রহমানের

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, অবৈধ বা চোরাইপথে আসা পশু কোরবানির উপযোগিতা সম্পর্কে ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ ও মুফতিরাই সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। তিনি সবাইকে বৈধ উৎস থেকে শরিয়তসম্মতভাবে কোরবানির পশু কেনার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার (২৩ মে) সকালে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কোরবানি দেওয়া হয় আল্লাহকে রাজি-খুশি করার জন্য। কোরবানি যাতে সহিভাবে ও হালাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”

আরও পড়ুন: বম্বে সুইটসের পাঁচ মসলাসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

তিনি জানান, কোরবানির পশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে হাটে মেডিকেল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। অসুস্থ পশুর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা, জ্বর পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশে এবারের ঈদুল আজহায় কোরবানির জন্য প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। সম্ভাব্য চাহিদা প্রায় ১ কোটি ১ লাখ হওয়ায় প্রায় ২২ লাখ পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। ফলে বিদেশ থেকে পশু আমদানির প্রয়োজন নেই।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধভাবে গবাদিপশু প্রবেশ ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

হাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম দূর করা, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রতারণা রোধে সরকার সতর্ক রয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাল টাকা শনাক্তে বিশেষ ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।