জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্রদলের আন্দোলনের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে: রিজভী
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৭ বছরের শাসনামলের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ধারাবাহিক আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত ‘আলোয় আলোয় স্মৃতি সমুজ্জ্বল’ শীর্ষক মোমবাতি প্রজ্বালন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
আরও পড়ুন: নভেম্বরের শেষে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
রিজভী বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগ দেশের মানুষকে সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
তিনি বলেন, “এই আলোর প্রজ্বালন শুধু এক দিনের কর্মসূচি নয়। প্রতিদিন আমাদের সব জানালা খোলা রাখতে হবে, যাতে কোনো অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী শক্তি আর কখনো দেশের ক্ষমতায় ফিরে আসতে না পারে।”
আরও পড়ুন: মোহাম্মদপুর চার রাস্তার মোড়ে অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ
বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সরকারের তীব্র সমালোচনা করে রিজভী বলেন, “ফ্যাসিস্ট শাসনের পতন ঘটেছে, কিন্তু তাদের অবশিষ্ট প্রভাব এখনও বিভিন্ন জায়গায় রয়ে গেছে। তারা দেশের মেগা প্রকল্প—মেট্রোরেল ও পদ্মা সেতুর অর্থ পর্যন্ত লুট করেছে।”
তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেন। রিজভীর ভাষ্য, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে পরিবর্তন এসেছে, তা জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রতিফলন। শুধু ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ড নয়, সড়কে লাল বাতিতে নিয়ম মেনে গাড়ি থামানোও জাতীয়তাবাদী মূল্যবোধের অংশ।”
অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। গভীর রাত পর্যন্ত চলা মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচিটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মরণে উৎসর্গ করা হয়।





