ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ

Abid Rayhan Jaki
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:৫৫ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৪ | আপডেট: ২:৪৫ অপরাহ্ন, ২৩ এপ্রিল ২০২৪
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ার সমুদ্র এলাকায় সাবমেরিন কেবল কাটা পড়ায় দেশের ইন্টারনেটে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) রাত ১২টার দিকে সি-মি-উই-৫ নামক দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলটি কেটে যায়। ফলে দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা গত চারদিন ধরে ইন্টারনেটে ধীরগতি ও বিঘ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন।

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) জানিয়েছে, কাটা পড়া কেবলটি মেরামতের কাজ আগামী মে মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

আরও পড়ুন: রেজাউল করিম খান চুন্নুর মায়ের ইন্তেকাল

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) এ খবর জানিয়েছেন বিএসসিপিএলসির মহাব্যবস্থাপক (চালনা ও রক্ষণ) সাইদুর রহমান।

তিনি বলেন, গত শুক্রবার মধ্যরাতে ইন্দোনেশিয়ার সমুদ্র এলাকায় সি-মি-উই-৫ কেবলটি কাটা পড়ে। তাদের ওখানে প্রশাসনিক কাজ-কর্মে একটু বেশি সময় নেয়। সব মিলিয়ে তারা জানিয়েছে, আগামী মাসের তৃতীয় বা চতুর্থ সপ্তাহ নাগাদ কাজটি হতে পারে।

আরও পড়ুন: সেভয়ের ডিস্‌কোনে নতুন ভ্যারিয়েন্ট, কুকিজ-ব্রাউনি ও ক্যারামেলের রিচ স্বাদ

সাইদুর রহমান বলেন, এখনো সব বিকল্পগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা যায়নি। দেশের প্রথম সাবমেরিন কেবল সি-মি-উই-৪ এর সক্ষমতা রয়েছে পুরো ব্যন্ডউইডথ বহনের। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে বাড়তি খরচ দিতে হবে। তবে সেটা এখনো কার্যকর করা যায়নি। আরও কিছু বিকল্প রয়েছে। সেগুলোর কাজ চলছে।

জানা গেছে, দেশে সিমিউই-৫ দিয়ে দেশে ১ হাজার ৬০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ করা হয়। শুক্রবার রাত ১২টায় দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলটি সিঙ্গাপুর থেকে ৪৪০ কিলোমিটার পশ্চিম প্রান্তে ‘ব্রেক’ করায় এর পুরোটাই এখন বন্ধ আছে। শুধু আমাদের দেশ নয় পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশে একই অবস্থা তৈরি হয়েছে। সিমিউই-৪ দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন কেবল সি-মি-উই-৪ এর ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারে। আর দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সি-মি-উই-৫ ঢুকেছে কুয়াকাটা হয়ে। বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া সি-মি-উই-৫ এর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ব্যান্ডউইথ সি-মি-উই-৪ কেবলে শিফটিং করা হচ্ছে।