ইসি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে বলে অভিযোগ মির্জা ফখরুলের

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:৪৩ অপরাহ্ন, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৯:৩৬ অপরাহ্ন, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর অভিযোগ, বেশ কিছু ক্ষেত্রে কমিশনের পদক্ষেপ পক্ষপাতমূলক মনে হচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তবে বিদ্যমান ত্রুটি দ্রুত সমাধান হলে বর্তমান কমিশনের অধীনেই গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)-এর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশন ভবনে আসেন মির্জা ফখরুল। বিএনপির প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং ইসির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব মোহাম্মদ জকরিয়া। বৈঠক শেষে সন্ধ্যা ৬টার পর সাংবাদিকদের এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান তিনি।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় আসছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, ভোটারদের কাছে পাঠানো পোস্টাল ব্যালটগুলো ত্রুটিপূর্ণ এবং নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দিতে তা পরিকল্পিতভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। অবিলম্বে প্রতীকসংবলিত সঠিক ব্যালট পেপার সরবরাহের দাবি জানান তিনি। এছাড়া ভোটারদের এনআইডি, বিকাশ নম্বর ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহের বিষয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি এর উদ্দেশ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

প্রচারণার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ নেই উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আচরণবিধি ভঙ্গ করে একতরফাভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, অথচ অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তিনি অভিযোগ করেন, ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পরিকল্পিতভাবে ভোটার স্থানান্তর করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তালিকা কমিশনের কাছে চেয়েছেন।

আরও পড়ুন: একটি গোষ্ঠী নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে গভীর ষড়যন্ত্র করছে: তারেক রহমান

যেসব কর্মকর্তা পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি নির্বাচন প্রক্রিয়ার কারিগরি ত্রুটি, বিশেষত ব্যালট পেপার সংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধানের তাগিদ দেন।

তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি এই কমিশন দিয়েই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, তবে এজন্য তাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণ করতে হবে এবং ত্রুটিগুলো দ্রুত সংশোধন করতে হবে।”