দীর্ঘ ১৮ বছর পর

হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ঘুডু আরিফ আশুলিয়া থেকে আটক

Sanchoy Biswas
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫:১৫ অপরাহ্ন, ০৪ জুলাই ২০২৫ | আপডেট: ৭:৩৪ অপরাহ্ন, ২৮ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পটুয়াখালী সরকারি কলেজ রোডে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. আরিফুর রহমান ওরফে ঘুডু আরিফকে ১৮ বছর পর ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পটুয়াখালী থানা পুলিশ।

থানার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাতে আশুলিয়ার মাছের আরত সংলগ্ন পল্লীবিদ্যুৎ এলাকা থেকে তাকে আটক করে। আজ শুক্রবার (৪ জুলাই) মধ্যরাতে পুলিশ উক্ত তথ্য প্রদান করে।

আরও পড়ুন: বগুড়ায় ঈদের দিনে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী গ্রেফতার

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ জুন রাতে পটুয়াখালী সরকারি কলেজ রোড এলাকায় সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পটুয়াখালী থানায় মামলা দায়ের হয় (জিআর নং: ৫৬৫/০৯)। মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের পর বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত আরিফুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

রায় ঘোষণার পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় স্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে বেড়ান। গত ১০ বছর তিনি আশুলিয়ায় ‘বাপ্পী’ নামে ছদ্মপরিচয়ে বসবাস করছিলেন। নিজের নতুন পরিচয়কে বিশ্বাসযোগ্য করতে নিজের হাতে ‘বাপ্পী’ নামে ট্যাটুও করেন।

আরও পড়ুন: ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

থানা থেকে প্রদানকৃত তথ্যমতে, “তার চলাফেরা ছিল অত্যন্ত গোপনীয়। তিনি মাঝে মধ্যে পটুয়াখালী আসতেন এবং রাতের আঁধারে আবার ফিরে যেতেন। দীর্ঘ গোয়েন্দা নজরদারির পর তাকে শনাক্ত করে আটক করা সম্ভব হয়।”

তথ্যসূত্রে জানা গেছে, ঘুডু আরিফ নামে একসময় তিনি পটুয়াখালী শহরে একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। 

এছাড়া তার বিরুদ্ধে ২০১১ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়েরকৃত পৃথক একটি মামলায় (জিআর নং: ৫৪৩/১১, পটুয়াখালী) তিন বছরের সাজার রায় রয়েছে।

ইতোমধ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।