জাজিরায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৪

Sanchoy Biswas
শরীয়তপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৬:১৬ অপরাহ্ন, ১২ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৯:২৭ পূর্বাহ্ন, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

‎শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৪৫টি ককটেল সাদৃশ্য বস্তু ও বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে চারজনকে আটক করা হয়।

‎সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল থেকে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারী কান্দি এলাকায় প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বৈশাখী মেলা ঘিরে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিলাসপুর এলাকায় দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। অতীতে এ বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যেখানে শত শত ককটেল বিস্ফোরণ হয় এবং অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটে।

‎এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে মুলাই বেপারী কান্দি এলাকার সাগর বেপারীর বাড়িতে ককটেল তৈরির সময় হঠাৎ ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো বসতঘরটি ধ্বংস হয়ে যায়। ওই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সোহান বেপারী নিহত হন এবং পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীন সরদার নামে আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন: সোনাগাজীতে লাইসেন্সহীন এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি, হাতেনাতে আটক ব্যবসায়ী

‎ঘটনার পরদিন শুক্রবার সকালে নিরাপত্তা বাহিনী ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হাতবোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হয়। এরপর সোমবার ডগ স্কোয়াডসহ পুনরায় ওই এলাকায় অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী।

‎এ অভিযানে ৪৫টি ককটেল সাদৃশ্য বস্তু ও বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহভাজন হিসেবে চারজনকে আটক করা হয়েছে।

‎এ বিষয়ে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তানভীর হোসেন বলেন, বিলাসপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ককটেল সাদৃশ্য বস্তু ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।