হাজারো অপরাধের কথন মালার নিউ জেনারেশন ত্রাস রুবেল ভাঙ্গী ও তার গডফাদার মাসুদ ভাঙ্গী

Sanchoy Biswas
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:১৬ অপরাহ্ন, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১২:২০ পূর্বাহ্ন, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

শ্রীপুর থানাটি আধুনিক শিল্পায়ন অঞ্চল হিসেবে গড়ে ওঠার কারণে এখানে যেমন মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে, তেমনি ক্রাইমেরও কোনো কমতি নেই। বিগত পতিত সরকারের আমলের থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ ভাঙ্গীর দুর্ধর্ষ কাহিনী বলতে গিয়ে ভয়ে আঁতকে ওঠে এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা; মুখ খুলতে রাজি হন না কেউ। কারণ জানতে চাইলে বলে, এই মাসুদ ভাঙ্গী সেই আমলের এক মূর্তিমান আতঙ্ক। কথা কম বলতো, কিছু হলেই এ–কে–৪৭সহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মহড়া দিত প্রায় সময়। থানায় অস্ত্র উঁচিয়ে রাখা একটি ছবিও প্রদর্শিত হয়েছিল অনেকদিন।

সে এলাকায় দখলদার বাহিনী গড়ে তোলে, যার প্রধান হিসেবে মাসুদ ভাঙ্গী দায়িত্ব দেন তৎকালীন সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য নজরুল ভাঙ্গীকে। আমাদের প্রতিবেদক অনুসন্ধান করে মাসুদ ভাঙ্গীর সকল অপকর্মের ডান হাত হিসেবে খ্যাত রুবেল ভাঙ্গীর সম্পর্কে যা শুনতে পায়—এই রুবেল ভাঙ্গী অপহরণ, জায়গা দখল, প্রকাশ্যে মানুষকে অস্ত্র ঠেকিয়ে লুটসহ অপকর্মের ‘নিউ জেনারেশন’ খ্যাত রুবেল ভাঙ্গী এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে মাসুদ ভাঙ্গীর নির্দেশনায়।

আরও পড়ুন: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রেড কার্ড দেখাবে মানুষ: শফিকুল আলম

লুকোচুরিভাবে শোনা যায়, তাদের একটি টর্চার সেল ছিল, যেখানে মানুষকে দিনের পর দিন নির্যাতন করা হতো, অর্থ আদায় না হওয়া পর্যন্ত বা জমি দখল না হওয়া পর্যন্ত। এলাকার এক লোক পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, আমার মেয়েকে এই রুবেল ভাঙ্গী তুলে নিয়ে তার গুন্ডা বাহিনী দিয়ে সে-সহ ধর্ষণ করে। আমি বিচার চাইতে পারিনি কারো কাছে ভয়ে। এই কথা বলার সময় বৃদ্ধ লোকটির চোখে অস্পষ্ট জলে ছলছল করছিল। কিছু সময়ের জন্য আমরাও আবেগতাড়িত হয়ে পড়ি। 

আমাদের প্রতিবেদক জানান, পুরো ঘটনার বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাঁদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুন: ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে শেরপুরের লছমনপুরের সর্বস্তরের মানুষ