নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে প্রশাসন ব্যর্থ: জামায়াত নেতা রেজাউল করিম

Sanchoy Biswas
জাহাঙ্গীর লিটন , লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:২৯ অপরাহ্ন, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৭:২৭ অপরাহ্ন, ০৪ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের এমপি প্রার্থী ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এমপি প্রার্থী জুলাই যোদ্ধা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। সারাদেশের এসব ঘটনা এবং লক্ষ্মীপুরের ঘটনাগুলো খুবই স্পষ্ট, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। যারা এগুলো করছেন, তারা কি নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে হোক তা চায় কিনা?

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের বটতলা গ্রামে জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির হামলার প্রতিবাদে জেলা জামায়াত এই আয়োজন করে।

আরও পড়ুন: উলিপুর থানা-র বিশেষ অভিযানে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার ১

রেজাউল করিম বলেন, প্রশাসনকে কখনো কখনো একপেশী নীতি অবলম্বন করতে দেখি। একপক্ষ মামলা দিতে গেলে "আরেক পক্ষ মামলা দিবে, নিজেরা সমঝোতা করুন" এ ধরনের কথা বলা হয়। এ ধরনের কথা বলা উচিত নয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাশা করি। আমরা রাতেই এজাহার দায়ের করেছি, প্রশাসন এখনো মামলা গ্রহণ করেনি। তাহলে কি প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারাতে বসেছে? যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাদের অবশ্যই গ্রেপ্তার করতে হবে।

এ সময় লিখিত বক্তব্য দেন জামায়াতের লক্ষ্মীপুর জেলা সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্লাহ। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মমিন উল্লাহ পাটওয়ারী, লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমীর এডভোকেট আবুল ফারাহ নিশান, চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম খান সুমন প্রমুখ।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে লাখ টাকা জরিমানা, এক রেস্টুরেন্ট সিলগালা

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় রাতে জেলা সদর হাসপাতালে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে শ্লোগান দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ-সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সদর হাসপাতালে জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে।