কসবা–আখাউড়ায় আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচির ব্যাপক সাড়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৪ (কসবা–আখাউড়া) নির্বাচনী এলাকার কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের রানীয়ারা, বিষ্ণুপুর, মাইজখারসহ বিভিন্ন গ্রামে সোমবার দিনব্যাপী গণসংযোগ ও মতবিনিময় করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচির জেলা পর্যায়ের অন্যতম সংগঠক এবং কসবা–আখাউড়ার জনপ্রিয় নেতা আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া। পরিবারের কর্তা, নারী সদস্য, অভিভাবক এবং কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তিনি কর্মসূচির লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সুবিধাসমূহ তুলে ধরেন।
আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিএনপির সামাজিক নিরাপত্তা ও কৃষি পুনর্গঠন ধারণার একটি বাস্তবায়নযোগ্য রূপরেখা। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও জরুরি সহায়তায় অগ্রাধিকার পাবেন। অপরদিকে কৃষক কার্ড কৃষি উৎপাদন খরচ কমানো, ভর্তুকিযুক্ত উপকরণ প্রাপ্তি, ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং ঋণ–প্রণোদনা সহজীকরণের মাধ্যমে কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করবে।
আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে শ্রমিক নেতাদের মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ
তার মতে, দেশের পরিবারব্যবস্থা ও কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তিতে দাঁড় করাতে এই দুটি কার্ড অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমবে, বাজারে ন্যায্যমূল্য পাওয়া সহজ হবে—যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে নতুন গতি দেবে।
গণসংযোগে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী ও স্বাধীনতার চেতনায় অনুপ্রাণিত একটি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বের বিকল্প নেই। তাই উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিন।”
আরও পড়ুন: পাচারচক্রের হাত থেকে শিশু উদ্ধার, পাচারকারী নারী গ্রেফতার
রানীয়ারা, বিষ্ণুপুর, মাইজখারসহ বিভিন্ন গ্রামের সাধারণ মানুষ এই কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিশেষ করে কৃষকরা জানান, বর্তমান আর্থিক চাপে কৃষক কার্ড তাদের জন্য বাস্তব সহায়তা হিসেবে কাজ করবে। ফ্যামিলি কার্ড পরিবারভিত্তিক নিরাপত্তা ও দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় তথ্যসেবা পাওয়াকে সহজ করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির এই কার্ডভিত্তিক কর্মসূচি তৃণমূল রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই কর্মসূচি শুধু রাজনৈতিক অঙ্গীকারের কথামালা নয়, বরং মাঠপর্যায়ে সুসংগঠিত সামাজিক সুরক্ষা ও কৃষি পুনর্গঠনের বাস্তব রূপরেখা। কসবা–আখাউড়া অঞ্চলে এ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার কার্যকর ভূমিকা দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থাকে আরও সুদৃঢ় করেছে।





