প্রাথমিকের ১৪ হাজার ৩৮৪ সহকারী শিক্ষক ১ অক্টোবর যোগদান করবেন

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:২৩ অপরাহ্ন, ০২ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৮:২৩ অপরাহ্ন, ০২ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫’-এ চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদানের তারিখ নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ অক্টোবর নির্বাচিত প্রার্থীরা নিজ নিজ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন।

রোববার (২ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শূন্য পদে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের যথাসময়ে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে। যোগদানের পর তাদের পদায়ন সম্পন্ন করা হবে এবং পরবর্তীতে পেশাগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

আরও পড়ুন: গাকৃবিতে ২৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষকদের তিন মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

এর আগে শনিবার (১ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি ভার্চ্যুয়াল সভায় শিক্ষক যোগদানের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ২৯ অক্টোবর বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে পরবর্তী সিদ্ধান্তে সেই তারিখ পরিবর্তন করে ১ অক্টোবর চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছিলেন, তদন্ত ও অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে যোগদান বিলম্বিত হলেও দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সরকার কাজ করছে।

আরও পড়ুন: প্রথমবারের মতো ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিচ্ছে সরকার

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ নিয়োগের আওতায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক প্রথমে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন। এরপর তাদের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পদায়ন করা হবে। পদায়ন শেষে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত (এমসিকিউ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়।

নিয়োগের সব ধাপ শেষ হলেও দীর্ঘদিন যোগদান করতে না পারায় নির্বাচিত প্রার্থীরা গত এপ্রিলের শেষ দিকে রাজধানীতে আন্দোলন করেন। পরে সরকার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে তাদের যোগদান নিশ্চিত করার আশ্বাস দেয়।