শহিদুল আলম ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্ত

Sanchoy Biswas
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:০২ অপরাহ্ন, ১০ অক্টোবর ২০২৫ | আপডেট: ৭:০৩ পূর্বাহ্ন, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

গাজায় মানবিক সহায়তা বহনকারী আন্তর্জাতিক নৌবহর ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা’-র জাহাজ থেকে আটক বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ও দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের মাধ্যমে খুদে বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মুক্তির পর শহিদুল আলমকে বহনকারী বিশেষ উড়োজাহাজটি অন্যান্য আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানি সেনাদের জীবিত ধরে নিয়ে গেছে আফগান সেনারা

শহিদুল আলম ‘থাউজ্যান্ড ম্যাডলিনস’ অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন, যা ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের নৃশংসতা বন্ধ এবং গাজায় ইসরায়েলি নৌ অবরোধ ভাঙার লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হয়। গত বুধবার ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন’-এর ৯টি নৌযানের বহরে ইসরায়েলি সেনারা আক্রমণ চালিয়ে বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অধিকারকর্মীদের আটক করে। জাহাজে থাকা শতাধিক অধিকারকর্মীকে ইসরায়েলের আশদোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়, এরপর তাদের কেৎজিয়েত কারাগারে পাঠানো হয়।

শহিদুল আলমকে মুক্ত করার উদ্যোগে সহযোগিতার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশেষভাবে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি ‘হাতের নাগালে’: আরাঘচি

এর আগে সকালেই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছিল যে, তুরস্কের সহায়তায় শহিদুল আলমকে দ্রুত বিশেষ বিমানযোগে আঙ্কারায় আনা সম্ভব হতে পারে। এছাড়া মুক্তির জন্য জর্ডান, মিসর এবং তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে সংশ্লিষ্ট দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল।