সৌদিতে প্রায় ৩০ বছর পর শীতকালে রমজান

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:১০ পূর্বাহ্ন, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৮:১০ পূর্বাহ্ন, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

প্রায় তিন দশক পর শীত মৌসুমে পবিত্র রমজান পালন করতে যাচ্ছেন সৌদি আরবের মুসলমানরা। ফলে চলতি বছরে দেশটিতে রোজার সময়কাল তুলনামূলকভাবে কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জ্যোতির্বিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সৌদি আরবে এবারের রমজানে প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা রোজা রাখতে হতে পারে।

সৌদি আরবের জ্যোতির্বিদ আবদুল্লাহ আল-মোসনেদ জানিয়েছেন, ১৪৪৭ হিজরি সনের রমজান শীতকালে শুরু হওয়ায় দিনের দৈর্ঘ্য স্বাভাবিকভাবেই কম থাকবে। এ সময় সূর্যোদয় দেরিতে এবং সূর্যাস্ত তুলনামূলক দ্রুত হবে, যার ফলে সিয়ামের সময় কমে আসবে। এতে গত কয়েক বছরের তুলনায় রোজা পালন অপেক্ষাকৃত সহজ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, ব্যারেল ১০৪ ডলার ছাড়ালো

তিনি আরও জানান, দীর্ঘ সময় ধরে রমজান মূলত গ্রীষ্ম মৌসুমে পড়েছিল। তখন অনেক ক্ষেত্রে ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত রোজা রাখতে হতো এবং তীব্র গরমের কারণে রোজাদারদের জন্য তা ছিল বেশ কষ্টকর। বিশেষ করে বয়স্ক ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠত। তবে ২০২৬ সালে সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কম সময়ের রোজা ও তুলনামূলক শীতল আবহাওয়া ইবাদতে মনোযোগ বাড়াতে সহায়ক হবে। ক্লান্তি কম থাকায় মুসল্লিরা নামাজ, তারাবি, তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুল লাইলসহ অন্যান্য ইবাদত আরও স্বাচ্ছন্দ্যে আদায় করতে পারবেন। পাশাপাশি মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের উপস্থিতিও বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: হজে যেতে ‘হজ ভিসা’ বাধ্যতামূলক: সৌদি আরব

চন্দ্র বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী প্রতি বছর রমজান প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন করে এগিয়ে আসে। সেই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর পর আবারও শীত মৌসুমে রমজান ফিরে এসেছে, যা সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমানদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।