বিশিষ্ট বামপন্থি নেতা

পঙ্কজ ভট্টাচার্যের প্রতিকৃতিতে রাশেদ খান মেননের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:২৪ অপরাহ্ন, ২৪ এপ্রিল ২০২৪ | আপডেট: ৯:১৭ পূর্বাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
পঙ্কজ ভট্টাচার্যের  প্রতিকৃতিতে রাশেদ খান মেননের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ । ছবিঃ সংগৃহীত
পঙ্কজ ভট্টাচার্যের প্রতিকৃতিতে রাশেদ খান মেননের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ । ছবিঃ সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রগতিশীল লড়াই-সংগ্রামের আজীবন সংগ্রামী, ঐক্য ন্যাপের সভাপতি কমরেড, বিশিষ্ট বামপন্থি নেতা পঙ্কজ ভট্টাচার্যের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হচ্ছে আজ বুধবার (২৪ এপ্রিল)। প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন দলের নেতারা।

বুধবার(২৪ এপ্রিল) রাজধানীর শাহবাগে রমনাস্থ টেনিস কমপ্লেক্সের  অস্থায়ী বেদিতে তার প্রতিকৃতিতে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি জাতীয় নেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপির নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও লাল সালাম জানানো হয়।

আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্যে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ ব্রিটিশ বাংলাদেশির মৃত্যু

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড মোস্তফা আলমগীর রতন, কমরেড কিশোর রায়, কমরেড সাদাকাত হোসেন খান বাবুল, ঢাকা মহানগর পার্টির নেতা  কমরেড জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, কমরেড তাপস কুমার রায়, অফিস কমিটির সদস্য কমরেড  জহুরুল হক, কমরেড ফুলবাবু প্রমুখ। 

২০২৩ সালের এই দিনে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ৮৩ বছর বয়সে মারা যান পঙ্কজ ভট্টাচার্য। ১৯৩৯ সালের ৬ আগস্ট চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন পঙ্কজ ভট্টাচার্য। শিক্ষাজীবন কেটেছে চট্টগ্রাম ও ঢাকায়। ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে ১৯৫৯ সালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে বহিষ্কৃত হন।

আরও পড়ুন: রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় অর্থনীতিতে মন্দাভাব, বিনিয়োগে স্থবিরতা: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

পঙ্কজ ভট্টাচার্য গত শতকের ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী বাংলাদেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী, একজন নেতৃস্থানীয় কর্মী ও সংগঠক। ১৯৬২ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও পরে কার্যকরী সভাপতি নির্বাচিত হন পঙ্কজ ভট্টাচার্য। তিনি ১৯৬৬ সালে ‘স্বাধীন বাংলা ষড়যন্ত্র’ মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কারারুদ্ধ হন।

পঙ্কজ ভট্টাচার্য মুক্তিযুদ্ধে ন্যাপ-ছাত্র ইউনিয়ন-কমিউনিস্ট পার্টি গেরিলা বাহিনীর সংগঠক ছিলেন। স্বাধীনতার পর দীর্ঘদিন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। 

১৯৯৩ সালে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গণফোরাম গঠনের সময় তিনি ছিলেন দলটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। পরে গণফোরাম থেকে বেরিয়ে সম্মিলিত ‘সামাজিক আন্দোলন’ নামে দেশের প্রগতিশীল-গণতান্ত্রিক মানুষের একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলেন। পরে তিনি ঐক্য ন্যাপ নামে রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন।