এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন

সচিবালয়ে কর্মচারীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:২৯ অপরাহ্ন, ২৯ মে ২০২৫ | আপডেট: ৭:১৮ পূর্বাহ্ন, ৩১ মে ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকাল ১০টা থেকে এক ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারীরা। কর্মবিরতি শেষে আগামী রবি ও সোমবারের জন্য নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সচিবালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই ঘোষণা দেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি ও বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম। এ সময় বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান বাদিউল কবির।

আরও পড়ুন: নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি, গভীর শোক প্রধানমন্ত্রীর তারিক রহমানের

নুরুল ইসলাম বলেন, দাবি আদায়ে আগামী রোববার তিনজন উপদেষ্টা তথা খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, সড়ক, সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. ফাওজুল কবির খান ও পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানকে স্মারকলিপি দেবেন। 

তিনি আরও বলেন, সোমবার (২ জুন) দুজন উপদেষ্টা তথা তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়ার কাছে স্মারকলিপি দেবেন তারা। 

আরও পড়ুন: বম্বে সুইটসের পাঁচ মসলাসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সচিবালয়ের প্রতিদিন এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করার ঘোষণা বুধবার দেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের নেতারা।

একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ সব দপ্তরে একই সময়ে এই কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানায় ঐক্য ফোরাম।

দাবি পূরণ না হলে ৩১ মের পর থেকে নতুন কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে বুধবার জানান ঐক্য ফোরামের নেতারা।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ সংশোধন করে সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদন হয়। এরপর থেকে এই অধ্যাদেশের বিরোধিতা করে আন্দোলনে নামেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারীরা। আন্দোলনের মধ্যেই গত রোববার সন্ধ্যায় সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করে সরকার। এই অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে গত শনিবার থেকে আন্দোলন করছেন সচিবালয়ের কর্মচারীরা।