গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সংগঠন “মায়ের ডাক” এর চিত্র প্রদর্শনীতে আমিনুল হক
গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সংগঠন “মায়ের ডাক” আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনী “Memories of Disappearance”-এ উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৬ আসনের গণমানুষের নেতা, বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক।
প্রদর্শনীতে নিখোঁজদের পরিবারের দীর্ঘদিনের বেদনা, অপেক্ষা ও শূন্যতার করুণ বাস্তবতা শিল্পের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়। শিল্পকর্মের প্রতিটি আঁচড়ে প্রকাশ পায় গুমের বিভীষিকা, প্রিয়জন হারানোর অসহায়তা এবং ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্বে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন কয়েকটি মুসলিম দেশ
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সংগঠন “মায়ের ডাক”-এর চিত্র প্রদর্শনীতে শিল্পকর্মের বিভিন্ন আঁকা ছবি পরিদর্শন করেন তিনি।
এসময় আমিনুল হক বলেন, গুম শুধু একজন মানুষকেই কেড়ে নেয় না, এটি একটি পরিবারকে নিঃস্ব করে দেয়। একজন সন্তানের অভাব তার বাবা-মাকে, স্বামীর অভাব স্ত্রীকে কিংবা বাবার অভাব সন্তানকে আজীবন কষ্ট দেয়। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী তার প্ল্যান বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা
তিনি গুম হওয়া পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গুমের মতো ভয়াবহ অন্যায়ের কোনো স্থান নেই। যারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিচারের মুখোমুখি করতেই হবে। পাশাপাশি তিনি দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াই থেকে বিএনপি পিছিয়ে যাবে না।
চিত্র প্রদর্শনীতে উপস্থিত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বছরের পর বছর অপেক্ষা করেও তারা প্রিয়জনকে ফিরে পাননি। কিন্তু ন্যায়বিচারের দাবিতে তাদের লড়াই থেমে নেই। এই প্রদর্শনী তাদের দীর্ঘদিনের যন্ত্রণাকে নতুনভাবে তুলে ধরেছে, যা দর্শনার্থীদের গভীরভাবে নাড়া দেয়।
মানবাধিকারকর্মীরা মনে করছেন, এ ধরনের শিল্প উদ্যোগ রাষ্ট্রীয় সহিংসতা ও গুমের মতো ভয়াবহ অপরাধ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এসময় “মায়ের ডাক”-এর সমন্বয়কারী সানজিদা ইসলাম তুলী, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য নরুল হক ভূঁইয়া নূরুসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।





