এনটিএমসি বিলুপ্ত, টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশের সংশোধনী পাশ
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, উপদেষ্টা পরিষদ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশের সংশোধন প্রস্তাব পাশ করেছে। সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রের নজরদারি কাঠামোতে ‘গঠনমূলক’ পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এই প্রস্তাবে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স মনিটরিং সেন্টার বা এনটিএসি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বিচারিক ও জরুরি আইনানুগ ইন্টারসেপশনের প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘সেন্টার ফর ইনফরমেশন সাপোর্ট’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আজ চৈত্র সংক্রান্তি
প্রেস উইংয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন সংশোধনীতে স্পিচ অফেন্স সম্পর্কিত ধারা পরিবর্তন করে কেবল সহিংসতার আহ্বানকেই অপরাধের আওতাভুক্ত রাখা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা, জরুরি প্রাণরক্ষা, বিচারিক বা তদন্তের প্রয়োজন এবং আন্তঃসীমান্ত সংক্রান্ত কাজে নির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতি অনুসরণ করে আইনানুগ ইন্টারসেপশন করা যাবে।
সংশোধনীতে বলা হয়েছে, সিম ও ডিভাইস রেজিস্ট্রেশনের তথ্য ব্যবহার করে কোনো নাগরিককে নজরদারি বা অযথা হয়রানি করাকে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ করা হয়েছে। এছাড়া ইন্টারনেট বা টেলিযোগাযোগ সেবা বন্ধ করা যাবে না এমন বিধান রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: তাদের নজিরবিহীন মুক্তিতে রাজনীতির মাঠে নানা কৌতূহল
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং মোবাইল অপারেটরদের অর্থায়নে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই'র ভবনে গঠিত হয় ন্যাশনাল মনিটরিং সেন্টার (এনএমসি)। পরে ২০১৩ সালে নাম পরিবর্তন করে এনটিএমসি করা হয়। জুলাই অভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতন সংক্রান্ত জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রতিবেদনেও সংস্থাটিকে বিলুপ্ত করার সুপারিশ করা হয়েছিল।





