ফরিদপুরে বাসচাপায় ৫ নিহত, বিক্ষুব্ধ জনতার আগুনে পুড়ল ৪ যানবাহন
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি পিকআপ ভ্যানে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা মহাসড়কে বিক্ষোভ করে অন্তত চারটি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেন এবং সড়ক অবরোধ করেন।
শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: ফতেহপুর জামশেদীয়া দরবার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন
নিহতরা হলেন, আলগী ইউনিয়নের সুয়াদী এলাকার আরিফ মাতুব্বর (২৫), ওবায়দুল সেক (৪০), জয়নাল মিয়া (২৪), নুরুননবী সেক (১২) এবং হাফিজুর (৫০)।
এ ছাড়া সুয়াদী গ্রামের সেতু মাতবর গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: গরু কাটার ‘খাইট্টায়’ কাস্টমস কর্মীর মরদেহ ১৫ টুকরো, গ্রেপ্তার ২
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে একটি পিকআপ বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে খুলনাগামী নড়াইল এক্সপ্রেস নামের একটি যাত্রীবাহী বাস পিকআপটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটি আটক করে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে মহাসড়কে থাকা আরও কয়েকটি যানবাহনে আগুন দেওয়া হয়। এতে কিছু সময়ের জন্য ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে। ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





