চট্টগ্রাম বন্দর উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর: অর্থমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৪:৫০ অপরাহ্ন, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৪:৫০ অপরাহ্ন, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপি নেতৃত্বাধীন নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় থাকছে চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে বৃহৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা। চট্টগ্রামকে দেশের প্রকৃত বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে বন্দরে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কার্যক্রম আধুনিকায়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী করতে হলে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। পোর্টের কার্যক্রম আরও উন্নত করতে হবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে।”

আরও পড়ুন: রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধে নতুন সময়সূচি ঘোষণা

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, চট্টগ্রামকেন্দ্রিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তা সংক্ষেপে তুলে ধরা সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কর্মসংস্থানকে দেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, অর্থনৈতিক কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা চট্টগ্রাম সফর করছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সফরসূচি অনুযায়ী, তিনি নগরের পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীর নাজির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করবেন। পরে জুমার নামাজ আদায় করবেন কদমতলী মাদারবাড়ী জামে মসজিদে।

আরও পড়ুন: শহিদ দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ সারাদেশে কঠোর নিরাপত্তা: র‍্যাব ডিজি

বিকেলে নগরের মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করবেন তিনি। একই স্থানে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বন্দরসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। রাত ৮টা ২৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে তার ফেরার কথা।

প্রথম সফরের অনুভূতি জানাতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশে একটি নির্বাচিত সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নেও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।