ঢাকা ওয়াসার এমডি অপসারণ, মানি লন্ডারিং অনুসন্ধানে সিআইডি-দুদক
ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সালাম বেপারীকে অপসারণ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, দুর্নীতি, ঘুষ গ্রহণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে মন্ত্রণালয় থেকে কমিটি করে অপসারণের উদ্যোগ নিলে তিনি পদত্যাগ করেন। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানানো হয়, ওয়াসার এমডি পদত্যাগ করেছেন। এদিকে অপসারিত ওয়াসার এমডির দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ। সিআইডির এক বার্তায় জানানো হয়েছে, ঢাকা ওয়াসার অপসারিত এমডির মানি লন্ডারিংয়ের অনুসন্ধানে কাজ করছে সিআইডি।
ঢাকা ওয়াসার অপসারণকৃত এমডি মো. আব্দুস সালাম বেপারীর বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে সিআইডি।
আরও পড়ুন: পাটশিল্পের বিকাশে বাড়বে কর্মসংস্থান: পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম
ঢাকা ওয়াসার অপসারণকৃত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আব্দুস সালাম বেপারীর বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, মো. আব্দুস সালাম বেপারী ১৯৯১ সালে ঢাকা ওয়াসায় সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্জিত অর্থ অবৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাচার করে তিনি নিজ, তার স্ত্রী এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: ‘ভোজ্যতেল পর্যাপ্ত আছে, দাম এক ফোঁটাও বাড়বে না’: বাণিজ্যমন্ত্রী
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ২০১৮ সালে তিনি নিজের নাম এবং তার স্ত্রী মাহবুবুন্নেছার নামে কানাডার টরন্টো শহরে একটি বাড়ি ক্রয় করেন। স্থানীয় ভূমি নিবন্ধন অফিস সূত্রে এ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে। জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ ক্রয়কৃত ওই বাড়িটির বর্তমান মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০ কোটি টাকা। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও কানাডার টরন্টোতে তার পরিবারের নামে বাড়ি থাকার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
এ সংক্রান্ত মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুসারে অনুসন্ধানপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সিআইডি অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে।





