হায়ারের ২ টনের এসিতে অনিয়ম, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৯:১৪ অপরাহ্ন, ০৮ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, ১১ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে এক অভিযানে হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের ২ টনের এসির কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে।

বিএসটিআই দাবি করেছে, পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এই এসিগুলোর ঘোষিত কুলিং ক্ষমতার (বিটিইউ) সঙ্গে প্রকৃত সক্ষমতার মধ্যে বিশাল অমিল রয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদিগামী ২ ফ্লাইট স্থগিত, যাত্রীদের বিমানবন্দরে যেতে নিষেধাজ্ঞা

গত ২৮ জুন, বিএসটিআইয়ের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে হায়ার বাংলাদেশকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে সরকারি অনুমতি ছাড়া স্টোরেজ ওয়াটার হিটার বা গিজার বিক্রির জন্য তাদের শোরুমে তল্লাশি চালানো হয়। এর পাশাপাশি, দুটি ২ টনের এসি জব্দ করা হয়, যা পরীক্ষার পর কম কুলিং ক্ষমতার জন্য অভিযুক্ত হয়েছে।

বিএসটিআই সূত্র জানায়, পরীক্ষাগারে এসিগুলোর কুলিং ক্ষমতার পরিমাপক যন্ত্রে কুলিং ক্ষমতার জন্য ঘোষিত বিটিইউ ও প্রকৃত সক্ষমতার মধ্যে স্পষ্ট অমিল দেখা গেছে। গ্রাহকরা বিশেষভাবে এই ধরনের পণ্য কিনে শক্তিশালী কুলিংয়ের আশায় প্রতারিত হয়েছেন এবং তাঁরা আদেশিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী পণ্য পাচ্ছেন না। এই পরিস্থিতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি মারাত্মক হুমকি তৈরি করেছে। বিএসটিআই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে এবং ঘোষণা করছে যে, এমন অভিযোগ প্রতিরোধে তারা রাজধানীর গুলশান, বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত তদারকি ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। বিএসটিআই, হায়ার বাংলাদেশ গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে করে আসা এ ধরনের প্রতারণার বিষয়টি উন্মোচন করেছে।

আরও পড়ুন: ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

এটি ভোক্তা অধিকার ইস্যুতে একটি বড় আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক নীতি ও গ্রাহক সুরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে ফুটিয়ে তোলে।

জানা গেছে, অনুমোদনহীন পণ্য বিক্রির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করে তারা এ ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধের জন্য বিএসটিআই দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। বাজারে যখন ভ্রষ্টাচার দেখা দেয়, তখন ভোক্তাদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ঘটনাটি দেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারের জন্য একটি সতর্ক সংকেত, যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানের ব্যাপারে আরও সজাগ ও দায়িত্বশীল হতে হবে।