চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণে তীব্র জনদুর্ভোগ: ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের নির্দেশ

Sanchoy Biswas
রিদুয়ান সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ১০:২৮ অপরাহ্ন, ০৮ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১১:২৫ অপরাহ্ন, ০৮ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কয়েকদিনের অবিরাম ও রেকর্ডভাঙা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় তৈরি হওয়া ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।

গতকাল (৭ জুলাই) রাতে দেওয়া এক বিশেষ ভিডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এই বৈরী আবহাওয়া থেকে জানমাল রক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানান। তিনি চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনসহ সকল জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী এবং স্থানীয় তরুণ সমাজকে সমন্বিতভাবে সর্বাত্মক উপায়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন: নরসিংদীতে শতাধিক গাছের চারা কেটে ফেলার অভিযোগ, জড়িতদের শাস্তির দাবি

ভিডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের এই উদ্ভূত পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজখবর রাখছেন এবং আমাদের সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন।"

তিনি এই কঠিন প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবাইকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয় দিয়ে মানবিক সহায়তা করার প্রতি বিশেষ জোর দেন।

আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি: ১১ জেলে উদ্ধার, নিখোঁজ ২

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত গত ৪২ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে। অভূতপূর্ব এই ভারী বর্ষণের ফলে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে চরম জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রামের সঙ্গে বিমান ও ট্রেন চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

এ ছাড়া রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির প্রধান সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি ও পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বান্দরবান জেলা প্রশাসন আগামী শুক্রবার পর্যন্ত জেলার সকল পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইতোমধ্যে উপদ্রুত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানা গেছে।