এক মাসে মধ্যপ্রাচ্যে সহস্রাধিক ফ্লাইট: শীর্ষে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৯:০৩ অপরাহ্ন, ২৫ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৯:০৩ অপরাহ্ন, ২৫ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার ও যাত্রী চাহিদাকে কেন্দ্র করে গত এক মাসে বাংলাদেশ থেকে রেকর্ড সংখ্যক ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের তিন প্রধান গন্তব্য— সৌদি আরব (KSA), ওমান (MCT) এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে (UAE) মোট ১,০১৫টি ফ্লাইট পরিচালিত ও পরিকল্পিত হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে। এছাড়া ওমানের মাস্কাট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহ ছিল অন্যতম প্রধান গন্তব্য।

আরও পড়ুন: নতুন করে দুই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর বণ্টন

গন্তব্যভিত্তিক ফ্লাইটের বিশ্লেষণে সৌদি আরব (KSA) পুরো মাসে ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২৩টি পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। বিশেষ করে ১২ ও ২৬ মার্চ সর্বোচ্চ ২৩ ও ২২টি করে ফ্লাইট ছিল।

সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) ৪ মার্চ থেকে নিয়মিতভাবে এই রুটে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়। ১৫, ২৪ ও ২৬ মার্চ সর্বোচ্চ সংখ্যক (২০ থেকে ২২টি) ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বড় একটি অংশ ছিল দুবাইগামী।

আরও পড়ুন: স্বাধীনতার লক্ষ্য অর্জনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ওমান (মাস্কাট) মাস্কাট রুটে প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ১০টি ফ্লাইট চলাচল করেছে। ৫, ১০, ১৯ ও ২৪ মার্চ সর্বোচ্চ ১০টি করে ফ্লাইট পরিচালিত হয়।

পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ফ্লাইটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে থাকে।

সর্বোচ্চ ফ্লাইটের মধ্যে ২৪ ও ২৬ মার্চ (পরিকল্পিত) রেকর্ড সংখ্যক ৫০টি করে ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে।

অন্যান্য ব্যস্ত দিনের মধ্যে ১৫ মার্চ ৪৯টি এবং ১২ মার্চ ৪৮টি ফ্লাইট ঢাকা ছেড়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফ্লাইটগুলোর মধ্যে দুবাই ছিল সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্য। এছাড়া শারজাহ ও আবুধাবিতেও নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। যেমন, ২৪ মার্চ দুবাইগামী ১২টি, আবুধাবি ৪টি এবং শারজাহ ৪টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে।

এভিয়েশন সংশ্লিষ্টদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসী কর্মীদের যাতায়াত এবং ওমরাহ যাত্রীদের চাপের কারণে ফ্লাইটের এই সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত এই উচ্চ প্রবাহ বজায় থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।