UNESCAP এ জৈব অর্থনীতি বিষয়ক যুগান্তকারী রেজুলেশন গ্রহণের নেতৃত্বে বাংলাদেশ

Any Akter
শহীদুল হক
প্রকাশিত: ১:৩৪ অপরাহ্ন, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৪:৩৩ অপরাহ্ন, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (UNESCAP) ৮২তম অধিবেশন শেষ হয়েছে ২৪ এপ্রিল, শুক্রবার। অধিবেশনে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের নেতৃত্বে টেকসই বায়োইকোনমি (জৈব অর্থনীতি) বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজুলেশন গ্রহণে নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ। এ অর্জন আঞ্চলিক উন্নয়ন এজেন্ডা নির্ধারণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

“Supporting the Transition Towards a Sustainable Bioeconomy in Asia and the Pacific” শীর্ষক রেজুলেশনটি বাংলাদেশের উদ্যোগে উত্থাপিত হয় এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে গৃহীত হয়। এটি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ‘আমি গর্বিত এক বিপ্লবীর মা’, রাকসু জিএস আম্মারকে নিয়ে মায়ের আবেগঘন স্ট্যাটাস ভাইরাল

রেজুলেশনটি বাংলাদেশের জাতীয় অগ্রাধিকার—টেকসই, উদ্ভাবননির্ভর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে সার্কুলার অর্থনীতি, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

এছাড়া, রেজুলেশনে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং টেকসই বায়োইকোনমি ভ্যালু চেইন গড়ে তুলতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।

আরও পড়ুন: জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল

অধিবেশনে বক্তব্যে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “বায়োইকোনমি শুধু একটি নতুন ধারণা নয়; এটি জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার একটি কার্যকর পথ।”

বাংলাদেশের এ উদ্যোগে সহ-স্পন্সর হিসেবে ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান, চীন, মঙ্গোলিয়া, আর্মেনিয়া ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশ সমর্থন দিয়েছে, যা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আঞ্চলিক ঐক্যমতের প্রতিফলন।

এ অধিবেশনে “সব বয়সের মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সামাজিক উন্নয়ন জোরদার” বিষয়ক বাকু-ব্যাংকক ঘোষণা গৃহীত হয়, যা অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সামাজিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।