ঢাকা-১১ এলাকাকে মাদক,সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত গড়ে তোলা হবে: ড এম এ কাইয়ুম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম রাজধানীর খিলবাড়িরটেক এলাকায় শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা-১১ আসনকে মাদক,সন্ত্রাস ও চাঁদামুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির এই সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বলেন, বিএনপি এদেশের গণমানুষের দল। এই দল জন্মলগ্ন থেকেই দেশের মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণের রাজনীতি করে আসছে। তিনি বলেন, বিএনপি কখনোই শাসকগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার রাজনীতি করেনি। আমরা রাজনীতি করেছি সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যা
তিনি আরও বলেন এদেশের মানুষের ভোটাধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই বিএনপি জনগণের দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং জনগণের স্বার্থে আপোষহীন অবস্থান বজায় রেখেছে।
বিএনপির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, বিএনপি এদেশের স্বার্থবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সবসময় দৃঢ় ও আপোষহীন থাকবে। যারা দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ণ করতে চায়, তাদের সঙ্গে বিএনপির কোনো আপোষ নেই। এই আপোষহীন রাজনৈতিক দর্শন আমাদের দেখিয়ে গেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
আরও পড়ুন: আইনশৃঙ্খলা নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে নির্বাচন কমিশন
ঢাকা-১১ আসনে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরেই গ্যাস,বিদ্যুত ও এলাকার উন্নয়ন হয়েছিলো। কিন্তু বিগত সময়ে স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগের আমলে আর কোনো উন্নয়ন হয়নি ঢাকা-১১ আসনে। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
ঢাকা-১১ আসনের মাটি ও গণমানুষের এই নেতা জানান, দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুদূরপ্রসারী ও বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, তারেক রহমান দেশ পরিচালনার জন্য যে রূপরেখা তৈরি করেছেন, তাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা, শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।ইতোমধ্যেই আমরা জনগণের সামনে এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছি। বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত হবে এবং দেশে একটি জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। তোমার স্থানীয় বিএনপি ও আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





