জনসভা ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ
দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহীতে তারেক রহমান
দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহীতে পা রাখলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দর থেকে তিনি সড়কপথে রাজশাহী শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, দুপুর দেড়টায় তিনি হযরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর পবিত্র মাজার জিয়ারত করেন। এরপর বেলা ২টায় রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: সংসদে ইনসাফ কায়েম করা গেলে দেশেও সেটা প্রতিষ্ঠা পাবে: জামায়াত আমির
এ জনসভায় রাজশাহী জেলা ও মহানগরের পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার নেতাকর্মীরা অংশ নেন। সকাল থেকেই বিভিন্ন থানা ও উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হন। মানুষের ঢলে মাদ্রাসা ময়দান ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
সমাবেশে নানা স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুনে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মাঠ। সংসদ সদস্য প্রার্থীদের বড় বহর মাঠে প্রবেশ করলে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়। বিপুল মানুষের চাপে আশপাশের সড়কে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। অনেক তরুণকে প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার আশায় গাছ ও উঁচু স্থাপনায় উঠে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
আরও পড়ুন: বিএনপির স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
রাজশাহীর কর্মসূচি শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁর এটিএম মাঠে আরেকটি নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেন তারেক রহমান। সেখানে জয়পুরহাট জেলার নেতাকর্মীরাও অংশ নেন। এরপর তিনি সড়কপথে নিজ জেলা বগুড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বগুড়ার আলফাতুন্নেসা খেলার মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। পরে রাত সাড়ে ৮টায় রাত্রিযাপনের উদ্দেশ্যে তিনি বগুড়ার হোটেল নাজ গার্ডেনে অবস্থান নেবেন।
সমাবেশ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। মাঠ ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ, র্যাব ও বিজিবিকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হয় এবং আকাশে ড্রোন উড়িয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়।





