জৈন্তাপুরে যৌথ টহল, নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশ ও সেনাবাহিনী একসাথে মাঠে

Sanchoy Biswas
সাইফুল ইসলাম বাবু, জৈন্তাপুর (সিলেট)প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, ১৫ অগাস্ট ২০২৫ | আপডেট: ৫:১৭ পূর্বাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে  শুরু হয়েছে যৌথ টহল কার্যক্রম।  

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট ২০২৫) বিকেল থেকে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ ও হরিপুর গ্যাসফিল্ড সেনাক্যাম্পের ২৭ বীর ইউনিট যৌথভাবে এই নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেছে।  

আরও পড়ুন: ক্ষমতা বদলালেও বদলায়নি সিটিজেন চার্টার: নেই কার্যকর মোবাইল-ইমেইল

এ সময় চলমান যৌথ অভিযানে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান, সংবেদনশীল এলাকা ও জনবহুল অঞ্চলে নিয়মিত এই যৌথ টহল চলবে বলে জানানো হয়েছে।  

এ বিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল বাসার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জেলা পুলিশ ও সেনা বাহিনীর টিম  সম্মিলিতভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছেন। এতে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বদা প্রস্তুত।

আরও পড়ুন: আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিসে নিরাপত্তা প্রহরীর নিয়ন্ত্রণে দাপ্তরিক কাজ

তিনি আরো বলেন, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিয়মিত  টহল জোরদার থাকবে। যাতে করে জৈন্তাপুর  উপজেলার বড় একটি অংশ তামাবিল মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, জনবহুল বাজার, পর্যটক ও দর্শনার্থীদের বিরতির স্থান, উপজেলার ব্যস্ততম নৌঘাট এলাকায় সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহলকারী দলের লক্ষ্য থাকবে।

তিনি বলেন, প্রথম দিনে হরিপুর গ্যাসফিল্ড সংলগ্ন সেনাক্যাম্পের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে সিলেটগামী ও সিলেট থেকে আগত সকল যাত্রীবাহী গাড়ী ও পণ্যবাহী পরিবহনে তল্লাশি করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে তা স্থান পরিবর্তন করা হবে। তিনি বলেন বিশেষ এই অভিযানে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি  চোরাচালান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ পাথর পরিবহনরোধ অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে তিনি যৌথ বাহিনীকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছেন। 

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং চলমান যৌথ টহলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।