শহরের রাজগোবিন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি

Sanchoy Biswas
মো. আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫:২৪ অপরাহ্ন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত রাজগোবিন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শনিবার রাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যালয়টি সুনামগঞ্জ-৪ আসনের (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) একটি ভোটকেন্দ্র। নির্বাচনের জন্য সরকারিভাবে স্থাপিত ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার সরঞ্জামসহ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি চুরি হয়েছে।

জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গত বুধবার ওই বিদ্যালয়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। রোববার সকাল পৌনে ৯টার দিকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এসে মূল ফটকের তালা ভাঙা দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশসহ শিক্ষকরা ভেতরে প্রবেশ করে দেখতে পান অফিস কক্ষের তালাও ভাঙা। টেবিলের ওপর সিসি ক্যামেরার ভাঙা যন্ত্রাংশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া একটি শ্রেণিকক্ষের তালাও ভাঙা ছিল।

আরও পড়ুন: দুমকির ভোটকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের চেষ্টা, দুই কিশোরের তৎপরতায় বড় ক্ষতি রক্ষা

চোরেরা সিসি ক্যামেরার বক্স, একটি ল্যাপটপ, রাউটার, তিনটি সাউন্ড বক্স, গ্যাসের চুলা ও সিলিন্ডার, ইলেকট্রিক চুলা, একটি ফাইল কেবিনেট এবং বিদ্যালয়ের স্কাউটদের ২৪টি পোশাক নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থী অভিভাবক রাসেল আহমদ বলেন, শহরের এই বিদ্যালয়ে বছরে চার-পাঁচবার চুরি হলেও চোর ধরা পড়ে না। এটি খুবই দুঃখজনক। শহরের চোরদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

আরও পড়ুন: বরিশালে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে দুই প্রার্থীর লিখিত অভিযোগ

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাছমিন বেগম চৌধুরী জানান, বিদ্যালয়ে কোনো নৈশপ্রহরী নেই। রোববার সকালে এসে ভবনের মূল গেটের তালা ভাঙা দেখি। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। চোরেরা সিসি ক্যামেরার যন্ত্রাংশ, একটি ল্যাপটপসহ আরও কিছু মালামাল নিয়ে গেছে।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি ও সাংবাদিক আকরাম উদ্দিন বলেন, গত বছর অন্তত চারবার এই বিদ্যালয়ে চুরি হয়েছে। এবার আবারও চুরি হলো। আমাদের বিদ্যালয়ে পদ থাকলেও নাইটগার্ড নেই। এ কারণেই বছরে একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটে। শতবর্ষী এই প্রাচীন বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ জানান, চুরির খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে নিয়মিত মামলা করার জন্য থানায় এজাহার দিতে বলা হয়েছে।##