লক্ষ্মীপুরের ৪টি আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থীরা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরের ৪টি আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এসব প্রার্থীদের সঙ্গে ৩টি আসনের ফলাফলে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা। একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সকল কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: অধ্যক্ষের সহায়তায় জাল সনদে চাকরি, তুলছেন সরকারি বেতন
জেলার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির শাহাদাত হোসেন সেলিম। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৫ হাজার ৪৫৭। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির মাহবুব আলম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪৩৭ ভোট।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৮১ হাজার ৩০১ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫৮ এবং মহিলা ভোটার ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪৩ জন।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে এনসিপির মহানগর সদস্য সচিবসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আবুল খায়ের ভুঁইয়া। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৩। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এসইউএম রুহুল আমিন ভুঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪২ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৭১ হাজার ৫৩৬ জন, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৩ এবং মহিলা ভোটার ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৮৩ জন।
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৭৯ ভোট।
আসনটিতে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৭২ জন ভোটার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২৯ হাজার ৭০৯, নারী ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৫৮ এবং হিজড়া ভোটার ৫ জন।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আশরাফ উদ্দিন নিজান। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১৪ হাজার ২৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এ আর হাফিজ উল্লাহ পেয়েছেন ৭০ হাজার ৭৬৫ ভোট।
এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৮ হাজার।
এদিকে প্রার্থীদের সমর্থকরা বিভিন্ন স্থানে ফলাফল ঘিরে উৎসুক অবস্থানে রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।





