দাদা-দাদির কবরের পাশে শায়িত হলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টি
উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো মেধাবী শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি আর জীবিত দেশে ফিরতে পারেননি। যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া এই তরুণীর খণ্ডিত মরদেহ শনিবার (৯ মে) সকালে দেশে পৌঁছায়। পরে মাদারীপুরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
শনিবার সকালে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ বৃষ্টির মরদেহ আনা হয়। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় মাদারীপুর সদর উপজেলার চর গোবিন্দপুরে তার গ্রামের বাড়িতে।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎ সরবরাহ চাহিদার অর্ধেকে, রেশনিংয়ে বিদ্যুৎ পাচ্ছে পটুয়াখালী; অতিষ্ঠ জনজীবন
একমাত্র মেয়ের মরদেহ একনজর দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন স্বজন, প্রতিবেশী ও শৈশবের বন্ধুরা। পুরো এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার সময় সহপাঠী জামিল আহম্মেদ লিমনের সঙ্গে এক মার্কিন নাগরিক রুমমেটের বিরোধের জেরে গত ১৬ এপ্রিল বৃষ্টি ও লিমনকে ক্যাম্পাস এলাকা থেকে অপহরণ করা হয়। পরে তাদের হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
আরও পড়ুন: এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য, ফাঁসি দিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা!
পরবর্তীতে ৩০ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বৃষ্টির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের ফুফাতো বোন জাবিন মরিয়ম বলেন, “সবসময় প্রাণবন্ত থাকা মেয়েটির এমন মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না। আমরা এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
কান্নাজড়িত কণ্ঠে বৃষ্টির বাবা জহির উদ্দিন আকন বলেন, “মেয়ে স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে গিয়েছিল। তাকে লাশ হয়ে ফিরতে হবে, কখনো ভাবিনি।”
জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশে বৃষ্টিকে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে।





