আশুলিয়ায় মহাসড়কে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিল

Sadek Ali
জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, আশুলিয়া
প্রকাশিত: ১:১২ অপরাহ্ন, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১:২৫ অপরাহ্ন, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং সড়ক-মহাসড়কে নাশকতা প্রতিরোধের দাবিতে ঢাকার আশুলিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে শ্রমিক দল। শনিবার সকালে আশুলিয়া থানা শ্রমিক দলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সারে ১০টায় বাইপাইল এলাকা থেকে শতাধিক নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক ধরে পল্লীবিদ্যুৎ বাজার পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে। প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন শ্রমিক দলের নেতারা।

আরও পড়ুন: নিকলীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার, ২১ দিনের কারাদণ্ড

সমাবেশে বক্তারা বলেন, যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র, নাশকতা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁরা মাঠে রয়েছেন। দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সপ্তাহব্যাপী তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি চলমান রয়েছে বলেও জানান তাঁরা। একই সঙ্গে শিল্পাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কে যাতে কোনো ধরনের নাশকতা বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

আশুলিয়া থানা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আবিদুর রহমান পাষাণ বলেন, দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে বসে আওয়ামী লীগের কিছু পলাতক নেতা নির্দেশ দিচ্ছেন এবং দেশে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু লোক সেই নির্দেশ বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। তারা নিজেদের গাড়ি নিজেরাই রাস্তায় পুড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: ১৭ বছরের নিপীড়নের পরও দল আগলে রাখা নেতাকে শোকজ

তিনি আরও বলেন, প্রশাসন আছে, আমরা শ্রমিক নেতারাও আছি। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো ধরনের নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা হবে।

কর্মসূচিতে আশুলিয়া থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আনসারুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান, সহসভাপতি আব্দুর রাজ্জাক ফরাজীসহ ধামসোনা, ইয়ারপুর, পাথালিয়া, শিমুলিয়া ও আশুলিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে এ-সংক্রান্ত বিধান আইনি কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।