আবু সাঈদ হত্যা মামলার ১০ আসামিসহ ১১ জনকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে বেরোবি

Shahrier Islam Pallab
মুজতাহিদ মিনার, বেরোবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭:০৫ অপরাহ্ন, ০২ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৮:৫৩ অপরাহ্ন, ০২ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়ের করা বিস্ফোরক দ্রব্যাদি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় কারাগারে থাকা প্রক্টর অফিসের মাস্টার রোলে কর্মরত এক কর্মচারীকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২৩তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

আরও পড়ুন: বিএনপি কখনো চাঁদাবাজদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় না: মীর সরফত আলী সপু

স্থায়ীভাবে বহিষ্কার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরীফুল ইসলাম, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল।

এ ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান ওরফে তুফান, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহাবুবার রহমান ওরফে বাবু, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, এ কে এম আমির হোসেন ওরফে আমু এবং নিরাপত্তাকর্মী নূর আলম মিয়া। একই সিদ্ধান্তে প্রক্টর অফিসে মাস্টার রোলে কর্মরত পারভেজ আপেলকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মৌলভীবাজারের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. জাকির হোসেন

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর ফটকের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার বিচার শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিভিন্ন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন।