পার্বত্যাঞ্চলের উন্নয়নে সেনাবাহিনীর অবদান

Sadek Ali
মেজর শেখ মো. নাঈম
প্রকাশিত: ৩:২৩ অপরাহ্ন, ০৪ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৩:২৪ অপরাহ্ন, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং দুর্গম এলাকা হলো দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত পাহাড়ি এলাকা, যাকে আমরা বলে থাকি “চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস (Chittagong Hill Tracts)”। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান এই তিনটি জেলাকে একত্রে “চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস” বলা হয়। এই অঞ্চলে একদিকে যেমন রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, অন্যদিকে রয়েছে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং প্রশাসনিক জটিলতা। এ অঞ্চলের মোট আয়তন হলো ১৩,২৯৫ বর্গ কিলোমিটার, যা বাংলাদেশের মোট আয়তনের ১১.১৯%। ভৌগোলিক ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে এই এলাকা আমাদের দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই এলাকার সঙ্গে মোট ৫৪০ কিলোমিটার আন্তর্জাতিক সীমারেখা রয়েছে। এর মধ্যে ভারতের সাথে ৩৩০ কিলোমিটার (রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার মাধ্যমে ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে সম্পৃক্ত) এবং মিয়ানমারের সাথে ২১০ কিলোমিটার (যা রাঙামাটি এবং বান্দরবান জেলার সাথে সম্পৃক্ত) আন্তর্জাতিক সীমারেখা বিদ্যমান।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অতুলনীয় এই অঞ্চলে রয়েছে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আনাগোনা এবং নিরীহ মানুষের উপর অমানবিক নির্যাতন। এই নির্যাতন চরম পর্যায়ে পৌঁছায় তখন, যখন তাদের উপর নেমে আসে চাঁদার ভার এবং অস্ত্রের ভয়াল থাবা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকেই অত্যন্ত দুর্গম এই এলাকায় সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিয়ে আসছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা “জিরো টলারেন্স” নীতি অনুসরণ করে জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান বজায় রেখেছে। যে কারণে পার্শ্ববর্তী দেশের সম্ভাব্য হুমকি ও অপতৎপরতা সত্ত্বেও, এ অঞ্চলে শান্তি, শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হলেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্রিয় উপস্থিতি ও কার্যকর ভূমিকার কারণে পরিস্থিতি কখনোই ব্যাপক অস্থিতিশীলতায় রূপ নেয়নি। সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব, সতর্ক তৎপরতা এবং স্থানীয়দের সঙ্গে নিবিড় সম্পৃক্ততা এ অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

আরও পড়ুন: ভূরাজনীতির নতুন মানচিত্রে বাংলাদেশ: আত্মমর্যাদা, বাস্তববাদ ও কূটনীতির নতুন অধ্যায়

অবৈধ অস্ত্রের উপস্থিতি এই এলাকার মানুষের শান্তি বিনষ্ট করছে। তাদের সেই শান্তি ফেরত আনতে সেনাবাহিনীর সদস্যগণ নিরলস পরিশ্রম করছেন। দুর্গম অঞ্চলে ক্যাম্প স্থাপন, প্রতিনিয়ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়মিত টহল ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে এবং সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার করে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দীপক শপথ নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

এ অঞ্চলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা সাধারণ মানুষের কল্যাণ, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁদের প্রচেষ্টার ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে। ঠিক এ কারণেই যে এলাকায় আগে রাস্তাঘাটের অপ্রতুলতা ছিল, সেই এলাকায় এখন পিচঢালা রাস্তা হয়েছে। যেখানে একসময় কোনো বাজার ব্যবস্থা ছিল না, সেখানে আজ প্রতিটি এলাকায় ছোট-বড় বাজার রয়েছে। এখানকার শিশু-কিশোররা এখন নির্বিঘ্নে পড়াশোনা করে দেশসেবায় অবদান রাখছে। বাংলাদেশ সরকারের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং সেনাবাহিনীর পরিকল্পিত তত্ত্বাবধান ও অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফলেই পার্বত্য চট্টগ্রামে আজ উন্নয়ন, শান্তি ও স্থিতিশীলতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: সেমিকন্ডাক্টর: একবিংশ শতাব্দীর তেল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হৃদস্পন্দন এবং নতুন সভ্যতার ভিত্তি

পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের উদ্যোগে প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকায় অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে এ অঞ্চলের শিশু-কিশোরদের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের প্রচেষ্টার পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পার্বত্য অঞ্চলের ৩টি জেলায় ৩টি মানসম্মত এবং আধুনিক স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো, স্থানীয় শিক্ষার্থীরা যেন উচ্চমানের শিক্ষা লাভের জন্য নিজ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র যেতে বাধ্য না হয় এবং নিজ এলাকাতেই মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ পায়।

এ ছাড়া সরকার কর্তৃক পরিচালিত এ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন ধরণের সহায়তা এবং অনুদান প্রদান করে থাকে। সরকারের “সবার জন্য শিক্ষা” এই নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সেনাবাহিনী স্কুলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় মনোযোগী হওয়ার জন্য নিয়মিত শিক্ষা উপকরণ, বই-খাতা এবং খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করে। বিশেষ করে দুর্গম অঞ্চলে শিশুশিক্ষা বিস্তার, সচেতনতা এবং আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ ছাড়া ভালো ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার জন্য সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কৃতী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থাও রয়েছে। এসব উদ্যোগের ফলে পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থা আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে এবং নতুন প্রজন্ম শিক্ষার মাধ্যমে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

এ ছাড়া শিক্ষকরা যাতে সঠিকভাবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে পারেন, সেজন্য প্রায়শই প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও প্রেষণা সেনাবাহিনী কর্তৃক দেওয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া, যুবসমাজকে খেলাধুলায় আগ্রহ বাড়াতে সেনাবাহিনী কর্তৃক বিভিন্ন খেলাধুলা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এসব খেলায় স্থানীয় যুবকদের অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।

চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যেন চিকিৎসা সেবা পায়, সে উদ্দেশ্যে সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রতিনিয়ত মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হচ্ছে। এসব মেডিকেল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দরিদ্র, অসহায় এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা সহজেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন, যা জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে পাহাড়ি এলাকায় অসহায় ও দুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। জরুরি চিকিৎসা, ওষুধ ক্রয় এবং উন্নত চিকিৎসা গ্রহণে সহায়তার মাধ্যমে সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এ ছাড়া সেনাবাহিনীর মাধ্যমে চোখের সমস্যায়

ভোগা রোগীদের জন্য বিভিন্ন সময় “মেডিকেল ক্যাম্পেইন”-এর আয়োজন করা হয় এবং দরিদ্র রোগীদের উচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থাও সেনাবাহিনী করে দিচ্ছে।

এ ছাড়াও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্যও সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম। সড়ক নির্মাণকাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি এই দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সড়ক নির্মাণের মতো চ্যালেঞ্জিং ও দুঃসাহসিক কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে সেনাবাহিনী। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলের ৩টি জেলায় মোট ১,০৩৬ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করেছে, যা এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে পূর্বে যেসকল এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল, সেগুলো সহজ যোগাযোগ নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে। তদুপরি, বর্তমানে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে নতুন সড়ক নির্মাণ এবং বিদ্যমান সড়কের উন্নয়ন কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে চলমান রয়েছে। এসব উন্নয়ন কার্যক্রম ভবিষ্যতে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও গতিশীল করে তুলবে, যার ফলে জনগণের যাতায়াত সুবিধা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং অঞ্চলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা যায়।

একটি সুস্থ এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই। পাহাড়ি এলাকায় অনেক ছোট-বড় ক্রীড়া ক্লাব ও সংগঠন রয়েছে। এ সকল ক্রীড়া ক্লাব ও সংগঠনকে খেলাধুলার সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রদান করে যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর ফলে তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি মাদক, অপরাধ ও অন্যান্য নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে এসব উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশ এবং সুস্থ সামাজিক পরিবেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

সাধারণ মানুষজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্থানীয় জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে তাদের প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে, সেনাবাহিনী কর্তৃক অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। ফলে পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত প্রায় প্রতিটি সেনা ক্যাম্পের চারপাশে বাজার গড়ে উঠেছে, যেখানে দূর-দূরান্ত থেকে সাধারণ মানুষ এসে তাঁদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয়-বিক্রয় করে থাকে। এসব বাজার স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অত্যন্ত দরিদ্র ও অসহায় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গৃহ নির্মাণের পাশাপাশি তাঁদের স্বাবলম্বী করে তুলতে মাছ চাষ, গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন এবং ব্যবসার জন্য ছোট ছোট দোকান স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সেলাই মেশিন ও কম্পিউটার বিতরণ এবং এতদসংক্রান্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রদান করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের ফলে এলাকার যুবসমাজ কর্মমুখী হয়ে উঠছে এবং আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে নিজেদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।

বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। একসময় যেখানে দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে বিদ্যুৎ সুবিধা ছিল মানুষের কল্পনার বাইরে, সেখানে আজ বহু প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ার

লেখক: মেজর শেখ  মো. নাঈম