টাকার বিনিময়ে নির্বাচনি দায়িত্ব: ৩৩০ আনসার সদস্যকে অব্যাহতি

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১০:১৬ অপরাহ্ন, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১০:১৬ অপরাহ্ন, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে ৩৩০ জনকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাহিনীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: ভোটের মাঠ মনিটরিংয়ে বিমানবাহিনীর ইউএভি মোতায়েন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাতিরঝিল থানার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শহর প্রতিরক্ষা দলের (টিডিপি) নেতা মামুন জনপ্রতি ৪০০ টাকার বিনিময়ে ভুয়া সনদ তৈরি করে প্রশিক্ষণবিহীন ৩৩০ জনকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর নিবিড় তদারকি চালিয়ে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়। অভিযুক্ত ওয়ার্ড দলনেতা মামুন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

এ ছাড়া চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৩ জন প্রশিক্ষণবিহীন ব্যক্তি নির্বাচনি দায়িত্বে যুক্ত হওয়ার বিষয়টিও প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হয়েছে। তাদেরও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শনে বিজিবি মহাপরিচালক

রাজধানীর গুলশানের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের দলনেত্রী মোসাম্মৎ শাহনাজ সুলতানা এবং ভাটারা থানাধীন ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের দলনেত্রী সামসুন্নাহারকে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এদিকে দায়িত্ব দেওয়ার নামে জনপ্রতি ১ হাজার ১০০ টাকা করে উৎকোচ নেওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি বৈধ সনদ ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা বাধ্যতামূলক। ভুয়া সনদধারী, অযোগ্য বা প্রভাবিত ব্যক্তির মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তায় বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৯ লাখ সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা সাড়ে ৫ লাখের বেশি।