মশক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ ডিএসসিসি প্রশাসকের

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:৪৬ অপরাহ্ন, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও গতিশীল, কার্যকর ও সমন্বিত করার নির্দেশ দিয়েছেন ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত লার্ভিসাইডিং ও ফগিংয়ের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারকরণ সংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

আরও পড়ুন: উত্তরা ফ্লাইওভারে মুমূর্ষু অবস্থায় ৯ মাসের শিশু উদ্ধার, চিকিৎসার ব্যবস্থা পুলিশের

সভায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংস, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি এবং সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে আন্তঃসমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘কেবল কীটনাশক ছিটিয়ে মশক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং নাগরিকদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা। সম্প্রতি ডিএসসিসি পরিচালিত এক জরিপে প্রায় ৬০ শতাংশ বাসাবাড়িতে মশার লার্ভা পাওয়া গেছে, যা উদ্বেগজনক। তাই সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অভিযানে যুক্ত করতে হবে।’

আরও পড়ুন: উচ্ছেদ করা মাদকের আড্ডার জায়গায় এক মাসের মধ্যে হবে খেলার মাঠ

তিনি আরও বলেন, ‘বৃষ্টির পর বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব ও পরিত্যক্ত পাত্রে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। মশামুক্ত ও সুস্থ নগরী গড়তে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

এদিকে একই দিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ হাজার ৪৭৪ দশমিক ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মাজেদ সরদার বিপণী বিতান’ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান।

সাততলা বিশিষ্ট এবং মোট ৪৫ হাজার ৪৭৫ বর্গফুট আয়তনের এই আধুনিক বিপণী বিতানে ২৩৫টি দোকান থাকবে।

ডিএসসিসির মার্কেট নির্মাণ সেল কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির কাজ ২০২৮ সালের জুন মাসে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।