ভাটারায় দাঁড়িয়ে থাকা স্কুল বাসে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:২০ অপরাহ্ন, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৮:৫৩ অপরাহ্ন, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর ভাটারা থানার কাছে ১০০ ফিট সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি স্কুল বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে অনন্ত টাওয়ারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে কেউ হতাহত হয়নি।

রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম। তিনি জানান, বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে ১০০ ফিট সড়কের অনন্ত টাওয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি স্কুল বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা হলুদ রঙের বাসটিতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে।

এদিকে, গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় পুলিশ নিবিড়ভাবে তদন্ত ও নজরদারি চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

আরও পড়ুন: ডিএসসিসির ২৯ ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে চিরুনি অভিযান শুরু

রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন বলেন, ককটেল বিস্ফোরণ ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের প্রতিটি ঘটনা পুলিশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছে। ইতোমধ্যে এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন ও অঙ্গসংগঠনের সদস্যও রয়েছেন।

তিনি বলেন, সার্বিক বিষয় পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাশকতা ও আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিএমপির অভিযান ও পুলিশ মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের আতঙ্ক দূর করতে মোবাইল পার্টি ও পিকেট ডিউটির পাশাপাশি কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

ককটেল তৈরির উপাদান কোথায় প্রস্তুত করা হচ্ছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আকতার হোসেন বলেন, এর আগেও ককটেল তৈরির উপাদান ও বিস্ফোরক দ্রব্যসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

তিনি আরও জানান, নাশকতার উদ্দেশ্যে পেট্রোল পাম্প বা অন্য কোনো স্থান থেকে দাহ্য পদার্থ কেনাবেচা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কারা নাশকতার উদ্দেশ্যে এসব দাহ্য পদার্থ সংগ্রহ করছে, তাদের শনাক্ত করতে ডিএমপির অভিযান ও কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।