১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ২২৩ টাকা, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:৩৪ অপরাহ্ন, ০২ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৮:৪৩ অপরাহ্ন, ০২ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ভোক্তা পর্যায়ে আবারও বাড়ানো হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এর আগে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৮৩৭ টাকা।

সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে বিইআরসি। নতুন এ দাম আজ রাত ৮টা থেকে কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন: আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে কত?

বিইআরসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম বৃদ্ধি এবং আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ানোর কারণে নতুন করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

একই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার

এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণের পাশাপাশি আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ ও কমিশন বাড়িয়েছে বিইআরসি।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমদানিকারকদের মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ (অপারেটরের প্ল্যান্ট থেকে ডিস্ট্রিবিউটর পর্যন্ত পরিবহন খরচসহ) ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৮১ টাকা ৭৬ পয়সা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিলারদের চার্জ ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮৫ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে দীর্ঘদিন ধরেই বাজারে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। গত অক্টোবর মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্ধারিত দামের পরিবর্তে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল এলপিজি।

গত সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকেই দেশের এলপিজি বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার পর আমদানিকারকেরা সরবরাহ কমিয়ে দেন। এতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত ১ হাজার ৫৮৫ টাকার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।

নতুন করে দাম বাড়ানোর ফলে সাধারণ ভোক্তাদের রান্নার খরচ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।