কবে থেকে শুরু হবে যৌথবাহিনীর নির্বাচনী অভিযান জানালো ইসি

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৯:৫৩ অপরাহ্ন, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৯:৫৩ অপরাহ্ন, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কড়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে যৌথবাহিনী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করবে। রোববার (৪ জানুয়ারি) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজিত এক সভায় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে রোববারের মধ্যেই অভিযানের সুনির্দিষ্ট পরিপত্র জারি হবে।

সভায় ইসি সানাউল্লাহ উল্লেখ করেন, ইতিমধ্যেই সব বাহিনীর প্রধানদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রতিটি বাহিনীর সদর দপ্তরকে অভিযানের বিষয়ে অবগত করা হয়েছে। মূলত নির্বাচনের পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখতেই এই বড় ধরনের সামরিক ও বেসামরিক সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সবাইকে নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি

নির্বাচন কমিশনার এই অভিযানের পেছনের তিনটি প্রধান লক্ষ্যের কথা জানান। প্রথমত, সারা দেশে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা এবং যেসব অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব নয়, সেগুলো যাতে কোনো ধরনের নাশকতায় ব্যবহৃত হতে না পারে তা নিশ্চিত করা। দ্বিতীয়ত, তালিকাভুক্ত ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা। আর তৃতীয়ত, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা। বড় কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে তা সরাসরি যৌথবাহিনী মোকাবিলা করবে।

কক্সবাজারের স্পর্শকাতর ভৌগোলিক অবস্থানের কথা বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন ইসি সানাউল্লাহ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো পুরোপুরি সিল করে দিতে হবে। এছাড়া স্থল সীমান্ত ও সাগরপথে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো দুষ্কৃতকারী অবৈধ পথে যাতায়াত করে অপরাধ সংঘটিত করার সুযোগ না পায়। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট: মির্জা ফখরুল ও কর্নেল অলির মনোনয়ন বৈধ