অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনারকে ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের সম্মাননা প্রদান

Any Akter
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৩:৩৮ অপরাহ্ন, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৫:০১ অপরাহ্ন, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশে ক্যান্সার চিকিৎসা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (এনআইসিআরএইচ)। সেবার মান উন্নয়ন ও আস্থার জায়গা শক্তিশালী করতে প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করছে। বর্তমান পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোস্তফা আজিজ সুমনের নেতৃত্বে স্বল্প সময়েই সেবার মানোন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে ‘বর্ণীল অতীত ও আলোকিত ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে হাসপাতালের উন্নয়ন যাত্রা, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

আরও পড়ুন: হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে ১৫০ শয্যার এই হাসপাতালকে উন্নীত করে এনআইসিআরএইচ প্রকল্পের আওতায় ৩০০ শয্যায় রূপান্তরের দায়িত্ব পান অধ্যাপক ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার। তার নেতৃত্বে সততা, নিষ্ঠা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্ভব হয়। এ কাজে সহযোগিতা করেন ডাঃ এ এফ এম কামাল উদ্দিন, ডাঃ মোহাম্মদ সালেহউদ্দীন সাইদ, ডাঃ মোস্তফা আজিজ সুমন, ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং ডাঃ মোঃ রশিদ উন নবী।

ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনারের স্বপ্ন ছিল এই হাসপাতালকে বিশ্বমানের ক্যান্সার সেন্টারে পরিণত করা—যেখানে ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ, নির্ভুল রোগ নির্ণয়, উন্নত চিকিৎসা, গবেষণা, উচ্চশিক্ষা ও দক্ষ জনবল তৈরির সুযোগ থাকবে। তবে ২০০৮ সালে রাজনৈতিক কারণে তাকে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: জীবন রক্ষাকারী টিকা নিয়ে ধোঁয়াশা

অনুষ্ঠানে সাবেক প্রকল্প পরিচালকের স্বপ্ন ও পরিকল্পনা নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। বক্তারা তাদের বক্তব্যে হাসপাতালের বর্ণাঢ্য অতীত এবং সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ তুলে ধরেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৮টি বিভাগীয় ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডাঃ মোঃ তৌফিক হাসান ফিরোজ। তিনি বলেন, “দেশের ৮টি বিভাগে এই ধরনের কেন্দ্র চালু হলে ঢাকায় রোগীর চাপ কমবে এবং মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে যাবে।”

অনুষ্ঠানের সভাপতি ডাঃ মোস্তফা আজিজ সুমন গুণীজনদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। তিনি বলেন, গুণীজনদের পরামর্শ নিয়ে হাসপাতালকে আরও এগিয়ে নেওয়া হবে এবং সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। শেষে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।