বরিশালের একটি বাসা থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার
বরিশালের একটি বাসা থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মইনুল ইসলাম হিমু পলাতক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে বরিশাল নগরীর বগুড়া রোড এলাকার অক্সফোর্ড মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে রাফি মঞ্জিল নামে একটি বাসা থেকে সানজিদা কবির অনিতা (১৯) নামে ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বরিশাল নগরীতে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিহত অনিতা পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার তেগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা কবির শাহিনের মেয়ে এবং তিনি একটি নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। নিহত অনিতার সাথে মইনুল ইসলাম হিমু নামের যুবকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: খুনের শহর বগুড়ায় আবারও খুন
অভিযুক্ত প্রেমিক মইনুল ইসলাম হিমু (৩০) ঝালকাঠি জেলা সদরের কাটপট্টি রোড এলাকার মিল্টন আকনের ছেলে। তার মা চাকরি করার সুবাদে তারা নগরীর বগুড়া রোড মুন্সি গ্যারেজ এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
পুলিশ ও স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, প্রেমিক মইনুল ইসলাম হিমু তাকে বাসায় ডেকে এনে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন। ঘটনার পর থেকেই হিমুর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহের নান্দাইলে সরকারি সফরে আসছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী
অভিযুক্ত হিমুর মা জানান, তার ছেলে ও অনিতার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে সম্প্রতি তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ঘটনার দিন সকালে তিনি অসুস্থতার কারণে বাসার বাইরে ছিলেন। পরে দুপুরে ফিরে এসে দরজা তালাবদ্ধ দেখতে পান। ভেতরে ঢুকে বিছানার ওপর অনিতার নিথর দেহ দেখতে পান বলে দাবি করেন।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, হিমু আগে একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন এবং তার বিরুদ্ধে অতীতেও পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা গেলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এ ঘটনায় হিমুর মা ফাতেমা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।





