থাইল্যান্ডের অভিযোগ: কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন
থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, কম্বোডিয়ার সশস্ত্র বাহিনী বেসামরিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের সৈন্যদের মৃতদেহ ফেলে দিয়েছে।
রোববার (৪ ডিসেম্বর) থাই জয়েন্ট প্রেস সেন্টারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ডের কাছে প্রমাণ রয়েছে যে, কম্বোডিয়ার সেনারা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে থাই ভূখণ্ড দখল করে রেখেছে এবং বেসামরিক এলাকায় ঘাঁটি ও সামরিক অস্ত্রাগার স্থাপন করেছে।
আরও পড়ুন: নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ২০০ সদস্যের প্রতিনিধিদল পাঠাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এটি বেসামরিক নাগরিকদের ‘মানব ঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করা হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের আক্রমণ বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সরাসরি হামলার অন্তর্ভুক্ত, যা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধের ক্ষেত্রে পড়ে।
থাইল্যান্ডের মিডিয়া ‘ব্যাংকক পোস্ট’ জানিয়েছে, কম্বোডিয়ার সেনারা রকেট ও কামানের গোলা নিক্ষেপ করেছে। এতে থাইল্যান্ডের বেসামরিক বাড়িঘর, অবকাঠামো এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও সীমান্তে আন্তঃসীমান্ত গুলিবর্ষণ, সৈন্য চলাচল এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের মতো পরিকল্পিত ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন: ইরানের বিক্ষোভকারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের নিন্দা তেহরানের
থাই জয়েন্ট প্রেস সেন্টার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে, মানবিক আইন ও যাচাইযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে পরিস্থিতি বিবেচনা করার জন্য, তথ্য বিকৃতি বা প্রচারণার ভিত্তিতে নয়।





