‘আরব দেশগুলো এখন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হামলায় যোগ দিতে চায়’
যেসব আরব দেশ শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানে যোগ দিতে অনিচ্ছুক ছিল, তারা এখন যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় সক্রিয় ভূমিকা নিতে চাপ দিচ্ছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা চালানোয় কয়েকটি আরব দেশ তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তেহরানের আক্রমণের মুখে পড়েই তারা এখন আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছে।
আরও পড়ুন: ইরান নয়, সৌদির আরামকোতে হামলা চালায় ইসরাইল
ট্রাম্প বলেন, “আমরা অবাক হয়েছিলাম। তারা আক্রমণাত্মকভাবে লড়াই করছে। তাদের খুব কম হামলা করার কথা ছিল, কিন্তু এখন তারা পুরোপুরি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে।”
সপ্তাহের শুরুতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর তেহরানের পক্ষ থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তারা তেল আবিবসহ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও সশস্ত্র ড্রোন নিক্ষেপ করে।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে থেকে মার্কিন নাগরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ
পরবর্তী দিনগুলোতে বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত-এও হামলা চালায় ইরান।
এদিকে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রসহ সাতটি দেশ একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন অভিযান বেপরোয়া ও অযৌক্তিক। বিবৃতিতে ইরানের পদক্ষেপকে বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলা হয়, এটি একাধিক রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিক ও যুদ্ধে জড়িত নয় এমন দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা অস্থিতিশীল আচরণ বলেও উল্লেখ করা হয়।





