ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি, উত্তেজনা বৃদ্ধি

Sanchoy Biswas
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:০৫ অপরাহ্ন, ০৬ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৩:০৫ পূর্বাহ্ন, ০৭ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি উঠেছে। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র বিমানবন্দর এলাকায় আঘাত হেনেছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: অরুণাচল সীমান্তে ভারত-চীন উত্তেজনা, ৬-৭ কিমি ভেতরে চীনা সেনা

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হামলার ঘটনার পরও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। একই সময়ে তেল আবিব শহরের আকাশেও একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত সরাসরি ভিডিওচিত্রে তেল আবিবের আকাশে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র দেখা গেছে। তবে সেগুলো প্রতিহত করতে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টর সক্রিয় হতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন: স্বামীর আলিঙ্গনে স্ত্রীর ৫টি পাঁজর ভাঙল, ভিডিও ভাইরাল

ইসরায়েলি বিভিন্ন গণমাধ্যমের দাবি, এখন পর্যন্ত অন্তত পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ইরানে চলমান সামরিক অভিযানের সময়সীমা নিয়ে নতুন করে বক্তব্য দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুরুতে নির্দিষ্ট সময়ের কথা বললেও এখন তিনি জানিয়েছেন, অভিযানের জন্য তার কোনো নির্ধারিত সময়সীমা নেই।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর ১ মার্চ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেছিলেন, চার সপ্তাহের মধ্যে অভিযান শেষ হওয়ার আশা করছেন তিনি।

পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগেসেথ জানান, সংঘাতের মেয়াদ আট সপ্তাহ পর্যন্ত গড়াতে পারে।

তবে বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সাময়িকী টাইমকে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানে অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে তার মূল লক্ষ্য পূরণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ইরান কোনোভাবেই পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না এবং তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাও সীমিত করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এসব হামলা ও পাল্টা সামরিক তৎপরতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।