যেকোনো সময় ইরানে বড় হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কতায় ইসরায়েল

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:১৪ পূর্বাহ্ন, ০২ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৯:১৪ পূর্বাহ্ন, ০২ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে, এমনকি আরও বড় পরিসরে সামরিক হামলার নির্দেশ দিতে পারেন—এমন আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইসরায়েল। দেশটির দুটি সূত্রের বরাতে রোববার (২ আগস্ট) দ্য জেরুজালেম পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছি এবং প্রেসিডেন্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।

আরও পড়ুন: চুক্তির আশায় ইরানে হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য অভিযানের শুরুতে ইসরায়েল সরাসরি অংশ নেবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে ইসরায়েলের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে ইরানে বড় ধরনের হামলা চালালেও এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।

অন্যদিকে, এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার কোনো সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তারা অবগত নন এবং এ ধরনের কোনো অভিযানে অংশ নেওয়ার অনুরোধও এখনো পাননি।

আরও পড়ুন: পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ১৩

এদিকে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ইসরায়েলে থাকা মার্কিন নাগরিকদের দেশ ছাড়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে বা পরিস্থিতি খারাপ হলে দ্রুত চলে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখতে নতুন ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস। একই ধরনের সতর্কতা জারি করেছে জর্ডান, মিসর, কাতার, সৌদি আরব ও ইরাকে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলোও।

এছাড়া দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ইউরোপে মার্কিন বাহিনীর প্রধান জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকেভিচ পেন্টাগনকে সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থেকে ইসরায়েলকে রক্ষা করতে পর্যাপ্ত নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ তার হাতে নেই। অতিরিক্ত একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার না পেলে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব নিরাপত্তাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন পদক্ষেপের কারণে মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে কাজ করছে এবং ইরান ও ইয়েমেনের হুথিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ভূমিকা রেখে আসছে।

সূত্র:  দ্য জেরুজালেম পোস্ট