রাশিয়ায় পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় আমুর অঞ্চলে প্রশিক্ষণ উড্ডয়নের সময় দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম একটি সামরিক বোমারু বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় বিমানটির ছয়জন ক্রু নিহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় আরেক ক্রু সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রুশ সংবাদমাধ্যম ইন্টারফ্যাক্সের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: স্ত্রীর মৃত্যুর পর হাসপাতালে মাহাথির মোহাম্মদ

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, টিইউ-৯৫ বিমানটি প্রশিক্ষণ মিশনে ছিল। চীন সীমান্তবর্তী আমুর অঞ্চলের একটি জনবসতিহীন এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার সময় বিমানটিতে কোনো গোলাবারুদ ছিল না। 

স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ইউক্রেনকা বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পর বিমানটি ক্রাসনোইয়ারোভো এলাকার কাছাকাছি বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে ব্যাপক ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন: দুই দশক পর ইরাক ছাড়ল মার্কিন বাহিনী

দুর্ঘটনার কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পরিস্থিতি জানতে রাশিয়ার অ্যারোস্পেস ফোর্সেসের একটি তদন্ত কমিশন দুর্ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। 

টিইউ-৯৫ সোভিয়েত আমলে তৈরি দীর্ঘপাল্লার কৌশলগত বোমারু বিমান। এটি পারমাণবিক অস্ত্র বহন ও নিক্ষেপে সক্ষম এবং ১৯৫২ সালে প্রথমবার আকাশে উড়ে। ১৯৫৬ সালে বিমানটি আনুষ্ঠানিকভাবে সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হয়। রুশ সামরিক বাহিনী এখনো বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সামরিক কার্যক্রমে বিমানটির ব্যবহার করে থাকে। 

রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যে এর আগেও বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। গত বছরের জুলাইয়ে তিন্দা শহরের দিকে যাওয়ার সময় খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে একটি আন-২৪ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৪৮ জন নিহত হন। এছাড়া ২০২১ সালের আগস্টে কামচাটকা উপদ্বীপে একটি এমআই-৮ হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পড়ে। ওই হেলিকপ্টারে ১৬ জন আরোহী ছিলেন, যাদের অধিকাংশই পর্যটক।