ইসিতে ধাক্কা খেয়ে রুমিন ফারহানার আক্ষেপ

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:১৩ অপরাহ্ন, ২৪ অগাস্ট ২০২৫ | আপডেট: ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় বিএনপির আলোচিত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা দাবি করেছেন, নিজ দলের নেতাকর্মীদের ধাক্কায় তিনি পড়ার উপক্রম হয়েছেন।

রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুরে অনুষ্ঠিত এ শুনানিতে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে ইসি কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

আরও পড়ুন: রিয়াদে বিমানবন্দর বন্ধ, ঢাকায় আটকা প্রায় ৩ হাজার যাত্রী

শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুমিন ফারহানা বলেন, “আমি গত ১৫ বছর বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য লড়াই করেছি। অথচ আজ একই দলের কর্মীরাই আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করল।”

তিনি আরও বলেন, “২০০৮ সালের আগে যে সীমানা ছিল সেখানে ফিরে যাওয়া উচিত। ওই সময়ের পর একটি ফ্যাসিস্ট সরকার নিজেদের সুবিধা মতো সীমানা নির্ধারণ করেছে, যা জনগণ মানে না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ারও ইচ্ছা ছিল আগের সীমানায় ফেরা।”

আরও পড়ুন: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন

ঘটনার বিষয়ে রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের এক প্রার্থী তার সঙ্গে ২০-২৫ জন নিয়ে কমিশনের শুনানিকক্ষে ঢুকে ‘গুন্ডাপান্ডার’ মতো আচরণ করেছেন। “এটা নির্বাচন কমিশনের মর্যাদার সঙ্গে যায় না। আমি আমার কেস নিজেই উপস্থাপন করেছি, কোনো সন্ত্রাসী বাহিনী আনিনি। অথচ তারা দলবল নিয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে,”— বলেন তিনি।

শুনানিতে খসড়া সীমানার বিপক্ষে থাকা পক্ষের প্রতিনিধিরা বলেন, বিজয়নগর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন (বুধস্তি, চান্দুয়া ও হরষপুর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে যুক্ত করা হয়েছে। তারা দাবি জানান, উপজেলাটি যেন অখণ্ড রাখা হয়।

অন্যদিকে, রুমিন ফারহানাসহ কয়েকজন অংশগ্রহণকারী ইসির খসড়া সীমানার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ইসি সচিব শুনানি শেষ ঘোষণা করেন এবং উপস্থিত সবাইকে শুনানিকক্ষ ত্যাগের অনুরোধ জানান।